লিনাক্সে মেশিনকে বিভিন্ন মোডে শাডডাউন করা

আমরা আজকাল ল্যাপটপ ব্যবহার করি কিন্তু এর পুরো সুবিধা নিতে পারি না বিভিন্ন অপশন সম্পর্কে না জানার কারনে । যেমন যারা লিনাক্স ব্যবহার করি তারা মেশিনকে বিভিন্নভাবে শাট ডাউন করতে পারি যেমন Hibernate, Suspend, Hybrid ইত্যাদি মোডে । সাধারন শাট ডাউন করার ফলে আমাদের মেশিনটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় এবং পুনরায় চালু করলে আপনার আগের সেশনে যে সমস্ত প্রোগ্রামে কাজ করছিলেন তা পুনরায় ওপেন করতে হয়। কিন্তু সাধারন শাট ডাউন না করে আমরা যদি উপরে উল্লেখিত তিনটি মোডের যেকোন একটি মোডে শাট ডাউন করি তাহলে কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে আপনার মেশিনকে চালু করতে পারবেন এবং বিভিন্ন প্রোগ্রাম যা খোলা অবস্থায় রেখেছিলেন তা পুনরায় সে অবস্থায় ফিরে পাবেন। এটি যারা বেশ কয়েকটি প্রোগ্রাম নিয়ে একসাথে কাজ করেন তাদের জন্য বেশ সুবিধাজনক।

এছাড়া ধরুন ভ্রমনে আছেন তখন বারবার মেশিন চালু করা সময়সাপেক্ষ এবং এর জন্য ব্যাটারী চার্জ ও দ্রুত শেষ হয়ে যায়। তাই আপনার মেশিনটি Suspend মোডে রেখে ব্যাগে রেখে দিতে পারেন এবং আবার প্রয়োজনে পাওয়ার বাটন চাপ দিলেই কয়েক সেকেন্ডে মেশিন চালু হয়ে যাবে।

Suspend মোডে মেশিনকে ল্যাপটপ ব্যাটারী দিয়ে ১-৩ দিন বা ৫ দিন ও রেখে দেয়া যায় ব্যাটারী ক্ষমতা উপর নির্ভর করে। যেমন আমি নিজেও পরীক্ষা করে দেখেছি Suspend মোডে রেখে ঘন্টাখানেক পর এসেও চার্জ ১০০% পেয়েছি ল্যাপটপে যদিও সে সময় পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ রেখেছিলাম।

এবার আসুন জেনে নিই কোন মোডে কি কাজ হয় ।

Suspend মোডে মেশিনের পুরো স্টেট Ram এ সেভ হয় এবং মেশিনের প্রায় সকল হার্ডওয়্যার এ মোডে বন্ধ থাকে তাই পাওয়ার খুব কম লাগে । Suspend মোডে খুব সামান্য পরিমান ব্যাটারী চার্জ নষ্ট হয় তাই ১//৩ এমনকি ৫ দিন পরও মেশিন চালু করা সম্ভব।

Hibernate মোডে মেশিনের পুরো স্টেট হার্ডডিস্কে সেভ হয় এবং এ অবস্থায় যতদিন পরই মেশিন ওপেন করুন না কেন সে অবস্থায় ফিরে পাবেন । Hibernate অবস্থায় ব্যাটারী চার্জ নষ্ট হয় না।

Hybrid মোডটি উপরের দুটি মোডের সমন্বয় বলতে পারেন। অর্থাৎ এ মোডে মেশিনের পুরো স্টেট হার্ডডিস্কে সেভ হয় কিন্তু মেশিনের পাওয়ার পুরো শাটডাউন হয় না। তাই মেশিন দ্রুত চালু করা যায় এবং মেশিনের চার্জ শেষ হয়ে গেলেও Hibernate মোডের মত মেশিনকে আবার চালু করা যায়।

আসুন ডেবিয়ান জিএনইউ/লিনাক্সে কিভাবে এগুলি ব্যবহার করবেন তা দেখি-

এ কমান্ডগুলির জন্য অবশ্যই pm-utils নামক প্যাকেজটি লাগবে । এটি ইনস্টলের কমান্ডঃ
aptitude install pm-utils

ইনস্টল হয়ে গেলে কয়েকটি প্রোগ্রাম চালু করুন একই সাথে। তারপর টার্মিনাল খুলে রুট ইউজার হিসেবে কমান্ড দিনঃ

pm-suspend

ব্যস মেশিন suspend মোডে চলে যাবে। এ অবস্থায় ল্যাপটপের একটি ইন্ডিকেটর লাইট জ্বলতে/নিভতে থাকবে। পাওয়ার ডিসকানেক্ট করার পরও করতে থাকবে । চিন্তার কিছু নেই। এ অবস্থায় ল্যাপটপকে ব্যাগের মধ্যে রেখে দিতে পারেন। তারপর কয়েক ঘন্টা পর আবার চালু করার জন্য পাওয়ার বাটনকে একবার চাপ দিন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আগের চালু করার প্রোগ্রামগুলি সহ মেশিন চালু হয়ে যাবে।

অন্য দুটি মোডের কমান্ড হচ্ছে-
pm-hibernate
এবং
pm-suspend-hybrid

এগুলিও পরীক্ষা করে দেখতে পারেন এক এক করে। আশা করি এগুলির কাজ বুঝতে পারবেন।

এভাবে কমান্ড মোডে কমান্ড না দিয়ে আপনার ব্যবহৃত ডেস্কটপ এনভারোনমেন্ট যেমন- কেডিই, গ্নোম, এক্সএফসিই, এলএক্সডিই এর শাটডাউন/পাওয়ার অপশন থেকেও কমান্ড দিতে পারেন মাউসের মাধ্যমে ।

লিনাক্স ইনস্টলেশন প্রস্তুতি - ১ (হার্ডডিস্ক পার্টিশন)

লিনাক্স ইনস্টল করতে গিয়ে শুরুতে অনেকে বিভিন্ন সমস্যায় পড়েন। কারন লিনাক্স ইনস্টলের পদ্ধতি আর উইন্ডোজ ইনস্টলের পদ্ধতি পুরোপুরি ভিন্ন । এজন্য উইন্ডোজ ইনস্টলে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তি ও লিনাক্স ইনস্টলের সময় হার্ডডিস্কের পার্টিশন ফরম্যাট করে ফেলা, পুরো পার্টিশন টেবিল ভেঙ্গে একটি করে ফেলা, উইন্ডোজ পার্টিশন মুছে ফেলা, উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম মুছে ফেলা ইত্যাদি নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে ফেলেন। কিন্তু একটু সময় নিয়ে অভিজ্ঞদের সহায়তা ও ম্যানুয়াল পড়ে নিলে এ ধরনের সমস্যা এড়ানো সম্ভব।
তাই আসুন আজ আমরা লিনাক্স ইনস্টলের জন্য চমৎকারভাবে হার্ডডিস্ক পার্টিশন করা শিখে নেই।
শুরুর দিকে উইন্ডোজ ইনস্টলের জন্যও কমান্ড লাইনে fdisk নামের একটা টুলসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক পার্টিশন করতে হত। কিন্তু বিষয়টি এখন ক্লিক এন্ড গো এর মতই সোজা । তবে একটি বিষয় এক্ষেত্রে সবার দৃষ্টি এড়িয়ে যায় আর তা হল আগে কমান্ড লাইনে কাজ করতে গিয়ে কমবেশী সবাই জেনে নিতেন হার্ডডিস্কের গঠন কাঠামো ও ফাইল সিস্টেম সম্পর্কে । আর এখন বাস্তবতা হলো- ক্লিক এন্ড গো পদ্ধতিতে কাজ করতে গিয়ে সবাই হার্ডডিস্কের ডিটেইলস সম্পর্কে না জেনে তালগোল পাকিয়ে ফেলেন।
প্রথমে আমরা উইন্ডোজ ফাইল ম্যানেজার/মাই কম্পিউটারে ঢোকার পর যে C/D/E/F ড্রাইভ দেখি এটার কথা সাময়িকভাবে ভুলে যাই। কারন এটি আপনাকে হার্ডডিস্কের আসল রহস্যটা লুকিয়ে রেখে উপরের অংশটা দেখায়। হার্ডডিস্কের ডিটেইলস জানতে হলে My Computer এর উপর রাইট মাউস বাটন ক্লিক করে Manage এ ক্লিক করুন। তারপর বাম দিকের ট্রি কন্ট্রোল/মেনু থেকে Disk Management এ ক্লিক করুন। তাহলে নিচের মত দেখতে পাবেন।
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DeHdhTlZPcFo4cVk
খেয়াল করে দেখুন, ছবির একদম নিচে পার্টিশন মোট ৩ প্রকার- Primary partition, Extended partition, Logical drive। প্রাইমারি পার্টিশন এর কালারের সাথে যেগুলি মিলবে সেগুলি প্রাইমারি পার্টিশন। নীল কালারের যে ৫টি লজিক্যাল ড্রাইভ /পার্টিশন রয়েছে সেগুলিকে ঘিরে আরেকটি সবুজ রংয়ের বর্ডার বিদ্যমান। অর্থাৎ এ ৫টি লজিক্যাল ড্রাইভ একটি এক্সটেনডেড পার্টিশন এর আওতায় রয়েছে ।
লিনাক্সে এটি দেখার জন্য শেল প্রম্পটে ঢুকে কমান্ড দিন- sudo fdisk -l অথবা gparted চালু করুন।
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DeHdhTlZPcFo4cVk
এবার আসুন কিছু তাত্ত্বিক কথাবার্তা বলি। একটি হার্ডডিস্কে সর্বমোট ৪টি প্রাইমারি পার্টিশন থাকতে পারবে । এর বেশী প্রাইমারী পার্টিশন করা সম্ভব না । যখন হার্ডডিস্কের ধারন ক্ষমতা ছিল খুব কম মাত্র কয়েক মেগাবাইট/এক বা দুই গিগাবাইট তখন এটি ছিল যথেষ্ট । কিন্তু যখন ধারনক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে তখন প্রাইমারি পার্টিশন ছাড়াও আরও বেশী পার্টিশন তৈরির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। তখন ৩টি প্রাইমারী পার্টিশন করা হয়ে গেলে বাকী স্পেসকে একটি প্রাইমারী এক্সটেনডেড পার্টিশন হিসেবে তৈরীর সুযোগ দেয়া হয় । এই এক্সটেনডেড পার্টিশনকে যেকোন সংখ্যক পার্টিশনে বিভক্ত করা সম্ভব ।
তাহলে আমরা দেখলাম-
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DZmRQeE9QXzlNeTA
মোট ৪টি প্রাইমারী পার্টিশন থাকতে পারে একটি হার্ডডিস্কে এবং শেষের টিকে এক্সটেনডেড পার্টিশন (এটি ও মূলতঃ প্রাইমারী পার্টিশন) হিসেবে নিয়ে যেকোন সংখ্যক পার্টিশনে ভাগ করা যেতে পারে। অর্থাৎ উপরের হার্ডডিস্ককে আমরা এখন নিচের মত ভাগ করতে পারি-
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DYmVhNllUNm1iWDg
উপরের পার্টিশনটিকে উইন্ডোজের মাই কম্পিউটারে দেখাবে এমনভাবে-
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DYllNOTNHVnc0Zm8
তাই মাই কম্পিউটারে ঢুকে বোঝা সম্ভব নয় ঠিক কতটি প্রাইমারী ও লজিক্যাল পার্টিশন রয়েছে আপনার হার্ডডিস্কে। যদি আরেকটি হার্ডডিস্ক জুড়ে দেয়া হয় আপনার মেশিনে বর্তমানটির সাথে তবে সেগুলিও লজিক্যাল পার্টিশন হিসেবে দেখা যাবে My Computer → Manage এ গেলে।
এবার আমরা দেখি উপরের হার্ডডিস্কটিকে লিনাক্সে কিভাবে দেখাবে-
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DT3hLOWM0V283Tzg
যদি আপনার ডিস্কে প্রাইমারি পার্টিশন ১টি কম থাকে তবে উইন্ডোজে একইরকম দেখা যাবে।
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DbUEzcTgxajFhOUE
কিন্তু লিনাক্স এক্ষেত্রে আরো স্মার্ট। লিনাক্সে দেখাবে নিচের মত।
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DNUVkdXVzb3prYTA
অর্থাৎ লিনাক্স সবসময় প্রাইমারি পার্টিশন এর জন্য ১-৪ নম্বর রিজার্ভ রাখে। লজিক্যাল পার্টিশন শুরু হবে ৫ নম্বর থেকে । তবে উপরের sda1 দেখে হয়তো ভাবছেন এটা আবার কি জিনিস। এর থেকে তো C/D/E/F বোঝাই সহজ। তবে আপনার জন্যই বলি, লিনাক্সের পার্টিশন টেবিল যদি একবার বুঝে যান তখন উইন্ডোজ এর টি ফালতু মনে হবে। আচ্ছা বলুন তো- যদি ৩ টি হার্ডডিস্ক থাকে আপনার মেশিন তাহলে বলতে পারবেন C/D/E/F দেখে কোনটি কোন হার্ডডিস্কের পার্টিশন? লিনাক্সে তাও সম্ভব। আসুন দেখা যাক বিষয়টি-
এখানে sda1 প্রথমে বুঝে নেই। যদি আপনার হার্ডডিস্কটি SCSI/SATA হার্ডডিস্ক হয় তবে প্রথম দুটি অক্ষর দেখবেন sd আর যদি IDE হার্ডডিস্ক হয় তবে এটিকে দেখবেন hd হিসেবে। আর sd এর পরে a এর অর্থ হল প্রথম হার্ডডিস্ক। যদি দ্বিতীয় হার্ডডিস্ক হয় তবে দেখবেন b, তৃতীয় হার্ডডিস্ক হলে দেখবেন c ইত্যাদি। তারপর আছে 1 অর্থাৎ প্রথম পার্টিশন এবং অবশ্যই এটি প্রাইমারি পার্টিশন কারন ১-৪ পর্যন্ত সবই প্রাইমারী পার্টিশন। যদি 5 হতো তাহলে এটি হতো প্রথম লজিক্যাল ড্রাইভ। যদি একটি প্রাইমারী পার্টিশন থাকে মেশিনে তবে sda5 হবে উইন্ডোজের D ড্রাইভ আর লিনাক্সের প্রথম লজিক্যাল পার্টিশন। sda3 হলে উইন্ডোজে এটি হবে E ড্রাইভ আর লিনাক্সে হবে প্রথম হার্ডডিস্কের ৩য় প্রাইমারী পার্টিশন।
এখন বলুন তো, sdc5 হলে কি হবে? হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন, এটি হবে তৃতীয় হার্ডডিস্কের প্রথম লজিক্যাল পার্টিশন। আর উইন্ডোজে কি হবে তা প্রথম ও দ্বিতীয় হার্ডডিস্কের পার্টিশন কয়টি এবং তৃতীয় হার্ডডিস্কের প্রাইমারী পার্টিশন কয়টি তার উপর নির্ভর করবে । তাই বলা সম্ভব নয়। যদি প্রথম ও দ্বিতীয় হার্ডডিস্কে মোট ৮ টি পার্টিশন থাকে ওবং তৃতীয় হার্ডডিস্কে ২ টি প্রাইমারী পার্টিশন থাকে তবে এটি উইন্ডোজে M ড্রাইভ হিসেবে দেখাবে।
আর লিনাক্সের সবধরনের ডিস্ক, ডিভাইসকে /dev/ ফোল্ডারে দেখানো হয় তাই /dev/sda1 এর পূর্নাঙ্গ অর্থ হবে এরকম-
/dev/sda1 - /dev ফোল্ডারে প্রথম(a) sd হার্ডডিস্কের প্রথম (1) প্রাইমারী পার্টিশন। (উইন্ডোজে C Drive)
/dev/sda5 - /dev ফোল্ডারে প্রথম(a) sd হার্ডডিস্কের প্রথম (5) লজিক্যাল পার্টিশন। (উইন্ডোজে D Drive যদি একটি প্রাইমারী পার্টিশন হয়)
/dev/sda7 - /dev ফোল্ডারে প্রথম(a) sd হার্ডডিস্কের তৃতীয় (7) লজিক্যাল পার্টিশন। (উইন্ডোজে E Drive যদি একটি প্রাইমারী পার্টিশন হয়)
/dev/hda5 - /dev ফোল্ডারে প্রথম(a) hd হার্ডডিস্কের প্রথম (৫) লজিক্যাল পার্টিশন। (উইন্ডোজে D Drive যদি একটি প্রাইমারী পার্টিশন হয়)
সুতরাং লিনাক্সে আরো ভালভাবে বলা যায় আপনি কোন হার্ডডিস্কের কত নম্বর প্রাইমারী/লজিক্যাল পার্টিশনে কাজ করছেন যা উইন্ডোজে খুজে পাওয়া বেশ কষ্টকর My Computer → Manage থেকে।
তাই লিনাক্স বেশী স্মার্ট।
আরেকটি কথা- উইন্ডোজ OS প্রাইমারী পার্টিশন ছাড়া ইনস্টল করা যায় না কিন্তু লিনাক্স OS প্রাইমারী/লজিক্যাল যেকোন পার্টিশনে ইনস্টল করা যায়।
তাই পূর্বে উইন্ডোজ ইনস্টল করা মেশিনে gparted দিয়ে একটি আলাদা লজিক্যাল পার্টিশন তৈরী করে নিয়ে লিনাক্স ইনস্টল করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার আগের ইনস্টল করা উইন্ডোজ থাকবে অক্ষত।
বুট করার সময় উইন্ডোজ/লিনাক্স কোনটিতে যেতে চান সেরকম অপশন পাবেন। সিলেক্ট করে দিলে মেশিন আপনার চাহিদামত লিনাক্স/উইন্ডোজে বুট করবে।
লিনাক্স ইনস্টলের জন্য পার্টিশন করার সব থেকে সহজ উপায় হচ্ছে লিনাক্সের সিডি/ডিভিডি/বুটেবল পেনড্রাইভ দিয়ে মেশিন বুট করুন। তারপর মেনু থেকে gparted সিলেক্ট করে একটি লজিক্যাল পার্টিশন তৈরী করে নিন।
তারপর লিনাক্স ইনস্টল করুন। ইনস্টলের জন্য কমান্ড এখান থেকেই দিতে পারবেন। সাধারনতঃ লিনাক্স সিডি/ডিভিডি/পেনড্রাইভ থেকে বুট করার পর ডেস্কটপের উপর শর্টকার্ট/প্রোগাম মেনুতে ইনস্টলের জন্য মেনু (Install Linux on Your Machine বা এ রকম) থাকে। উইন্ডোজের মত ইনস্টলের জন্য সিডি থেকে আলাদা বুট করতে হয় না। এমনকি সিডি থেকে আপনি সব প্রোগ্রাম চালিয়ে দেখতে পারেন ইনস্টলের আগেই যা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে সম্ভব নয়।
আলাদা পার্টিশন করার আগে যে ড্রাইভে জায়গা বেশী ফাঁকা সেটি থেকেই জায়গা নিতে পারেন অথবা সব থেকে শেষের পার্টিশন থেকে জায়গা বের করে নিন ঐ ড্রাইভের ফাইলসমূহ অন্য ড্রাইভে কাট-পেস্ট/মুভ করে। তবে শেষের পার্টিশন থেকে জায়গা বের করে নেয়াই নিরাপদ। এটি করলে পরবর্তীতে ঝামেলা কম হয়। এটি করাও বেশ সহজ। লিনাক্সের সিডি থেকে বুট করার পর ফাইল ম্যানেজার চালু করে উইন্ডোজের মাই কম্পিউটারে ঢুকে যেভাবে কাট-পেস্ট করেন ঠিক সেভাবে করতে পারবেন।
ফাইল সরিয়ে নেয়ার পর আসুন কিভাবে পার্টিশন করবেন তা হাতে কলমে দেখি।
প্রথমে System Tools → Administration → Gparted Partion Editor চালু করুন।
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DRTh2ZzdqSHl1WFk
যে পার্টিশনটি থেকে স্পেস নিবেন সেটির উপর রাইট মাউস বাটন ক্লিক করে Resize/Move এ ক্লিক করুন। তারপর Free space following (MiB) বক্সে ক্লিক করুন এবং লিখুন ১২০০০-১৩০০০ এর মধ্যে যেকোন সংখ্যা।
অর্থাৎ আমরা ১২ গিগার কাছাকাছি একটি রুট পার্টিশন করছি লিনাক্সের জন্য । এটাই যথেষ্ট । সোয়াপ পার্টিশন যাদের ১ গিগা Ram আছে তাদের দরকার নেই। যারা আলাদা হোম পার্টিশন করতে চান তারা নিজ দায়িত্বে করুন। একজন নতুন ব্যবহারকারীর জন্য রুট (/) পার্টিশনই যথেষ্ট। কারন উইন্ডোজের ড্রাইভগুলিতে লিনাক্স থেকেই ফাইল সেভ/এডিট করা যায়। লিনাক্সের জন্য আলাদা ডেটা পার্টিশন না থাকলেও চলে । তবে হোম ফোল্ডার সবসময় খালি রাখার চেষ্টা করবেন। বেশী ভারী হলেই ডেটা অন্য পার্টিশনে মুভ করে নেবেন। কারন হোমে জায়গা না থাকলে প্রোগ্রামগুলিই রান করবে না যেহেতু আপনার রুট এবং হোম ফোল্ডার একই পার্টিশনে আছে এক্ষেত্রে । এটি সবসময় খেয়াল রাখবেন তা না হলে পরে সমস্যায় পড়তে পারেন।
তারপর আবার New Size(MiB) বক্সে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার দেয়া নতুন ড্রাইভ সাইজ প্রদর্শন করবে। এবার Resize/Move বাটনে ক্লিক করুন।
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DcXFRa3Eya2VtNTg
এবার Apply All Operations এ ক্লিক করে অপেক্ষা করুন। আশা করি আপনার পার্টিশন তৈরী হয়ে যাবে ।
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DVmpBSFNKUGlrS3M
সবশেষে একটি কথা- বারবার জিপার্টেড দিয়ে হার্ডডিস্ক পার্টিশন ফরম্যাট/এডিট/ডিলিট করা থেকে বিরত থাকুন কারন ঘনঘন করলে তা আপনার হার্ডডিস্কে ঝামেলা করতে পারে। তাই প্রথমে কাগজ কলম নিয়ে বসে হার্ডডিস্কের একটি পার্টিশন টেবিল তৈরি করে নিন- অর্থাৎ কয়টি প্রাইমারি, কয়টি লজিক্যাল থাকবে, কোন ড্রাইভে কি ধরনের ফাইল রাখবেন- তা ঠিক করে নিয়ে বসে পড়ুন। তারপর ধীরে ধীরে কাজ শেষ করুন। তাড়াহুড়ো করবেন না, তাতে আপনারই ক্ষতি।
সামনের দিন দেখবো কিভাবে আপনার তৈরী করা পার্টিশনে লিনাক্স ইনস্টল করবেন। আজ এ পর্যন্তই । ভাল থাকুন – সুস্থ থাকুন ।
(এটি একই সাথে আমার ব্লগেও প্রকাশিত এবং স্ক্রিনশটগুলি নেয়া হয়েছে মুক্ত বাংলা জিএনইউ/লিনাক্স থেকে- মুক্ত বাংলা লিনাক্স সম্পর্কে জানতে এখানে দেখুন- http://forum.projanmo.com/topic46595.html )

২০১৩ সালে লিনাক্স ও ওপেন সোর্স জগতের ৫টি শীর্ষ গুরুত্বপূর্ন ঘটনা

http://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DSE9OTVZ6b0t3TjA
নতুন একটি বছরের শেষ দ্বারপ্রান্তে আমরা উপনীত। ২০১৪ সালের আগমন ধ্বনি আমরা স্পষ্টতঃ টের পেতে শুরু করেছি।  লিনাক্সের উত্থানের জন্য এ বছরটি খুব গুরুত্বপূর্ন।
লিনাক্স কম্পিউটিং এর বেশ কয়েকটি ক্ষেত্র যেমন সার্ভার ও সুপার কম্পিউটিংএ বহু বছর একাধিপত্য বিস্তার করে আছে। কিন্তু ২০১৩ সালে লিনাক্স এবং ওপেন সোর্স সফটওয়্যার উন্নয়ন পদ্ধতি সকল ক্ষেত্রে রাজত্বের পূর্বাভাস সূচনা করেছে যেটা গাড়ি থেকে শুরু করে ক্লাউড সিস্টেম হয়ে গ্রাহক নির্ভর কম্পিউটিংয়ে ও বিস্তৃত হচ্ছে যার জন্য সত্যিকারের ধন্যবাদ পেতে পারে এন্ড্রয়েড এবং ক্রোম ওএস।
আমি সত্যিই অভিভূত ২০১৩ সালে লিনাক্স ও ওপেন সোর্স জগতের এই সামনে এগিয়ে চলার গতিতে।
আসুন আমরা এ বছরে সংঘটিত লিনাক্স ও ওপেন সোর্স জগতে চলমান ঘটনাসমূহের মধ্যে সব থেকে গুরুত্বপূর্ন ৫টি ঘটনার উপর আলোকপাত করি। কিছু বিষয় হয়তো আপনার নজর এড়িয়ে যেতে পারে কিন্তু বিশ্বাস করুন সামনের বছরগুলিতে এগুলি সত্যিকারের প্রভাবক হিসেবে কম্পিউটিং জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করবে। আপনি যে ধরনের কম্পিউটিং এ জড়িত থাকুন না কেন ভবিষ্যতে অবশ্যই লিনাক্স ও ওপেন সোর্স সফটওয়্যার ব্যবহারের জন্য আপনার হাতে খড়ি হতে যাচ্ছে এটা বলা যায় এ মূহুর্তে।

১. ওপেন সোর্স সফটওয়্যার উন্নয়ন পদ্ধতি 

বর্তমানে একজন ডেভেলপার ওপেন সোর্স সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন না বা ডেভেলপ করবেন না এটা ভাবা খুবই দূরূহ ব্যাপার। এমনকি মাইক্রোসফটের মত কোম্পানিও ওপেন সোর্স উন্নয়নে এর শক্তি নিয়োজিত করছে যেমন-Node.js, একটি টুলস/ফ্রেমওয়ার্ক যা জাভাস্ক্রিপ্টকে এর স্ক্রিপ্টিং ইঞ্জিন হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। সর্বোপরি, মাইক্রোসফটও বর্তমানে লিনাক্স উন্নয়নে পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখছে।
কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন যে বিষয়টি আমাকে অবাক করেছে, তা হল, বিভিন্ন ধরনের বৃহৎ কোম্পানিসমূহ লিনাক্স ফাউন্ডেশনের নেতৃত্বে ওপেন সোর্স প্রজেক্টসমূহকে উন্নয়নের জন্য কি দৃঢ়ভাবেই না ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
শুধু ২০১৩ সালেই লিনাক্স ফাউন্ডেশন AllSeen Alliance কে একত্রিত করেছে ইন্টারনেট বিষয়ক কাজ করার জন্য, ওপেন সোর্স বায়োলজিক্যাল রিসার্চের জন্য OpenBEL; সবধরনের সফটওয়্যার ডিফাইনড নেটওয়ার্কের (SDN) জন্য OpenDaylight; এবং Xen প্রজেক্ট ও KVM ভার্চুয়ালাইজেশনের জন্য Open Virtualization Alliance ও Xen virtualization।
এবং এটা শুধুমাত্র লিনাক্স ফাউন্ডেশনই করছে না । ফেসবুকের ওপেন কম্পিউট প্রজেক্ট ওপেন সোর্স পদ্ধতিকে ডেটা সেন্টারে নিয়ে এসেছে। এপাচি Hadoop এর মত প্রজেক্টকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ব্যাপক ডেটা প্রসেসিং এর জন্য এবং সার্চের জন্য Lucene এবং Solr।
এ সব বড় প্রজেক্টের মাঝে একটি সাধারন মিল বিদ্যমান আর তা হলো- পূর্বের শত্রুসম প্রতিযোগীদেরকে একত্রে মিলেমিশে কাজ করানো। তাই বলে ভাববেন না, কোম্পানিগুলি ওপেন সোর্সের জাদু বা নৈতিক ভাবাদর্শের কারনে এ সমস্ত কাজ করছে ।  বরং তারা ওপেন সোর্স ব্যবহার করছে এ কারনে যে, এটি তাদেরকে সব থেকে কম খরচে সব চেয়ে কোয়ালিটি সম্পন্ন সফটওয়্যার তৈরির সুযোগ দিচ্ছে । যৌক্তিকভাবে বলা যায় যে, কোম্পানিসমূহ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা বিচ্ছিন্নভাবে অসম্পূর্ন, মালিকানাধীন প্রোগ্রাম তৈরির বিপরীতে ব্যবসা সফল একীভূত ওপেন সফটওয়্যার তৈরী করবে।

২. ক্রোমবুকের উত্থান

গুগলের লিনাক্স চালিত ক্রোমবুক কতটা জনপ্রিয় সেটা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে তবে এটা সত্য যে, ক্রোম বুক খুব দ্রুত ব্যবহারকারীর দৃষ্টি আকর্ষন করতে সমর্থ হয়েছে।
OEM হিসেবে ডেল ছিল সর্বশেষ কোন কোম্পানি যারা ক্রোম ব্যবহার করে কোন মেশিন বাজারজাত করতো না । কিন্তু তারাও সিদ্ধান্ত নিয়েছে ২০১৪ সালের শুরুতে ক্রোমবুক নিয়ে আসার। বৃহৎ ইলেক্ট্রনিক্স কোম্পানি এলজি ক্রোম ওএস এর জন্য একটি নতুন রূপ নিয়ে হাজির হয়েছে যার নাম ক্রোমবেস। এটি একটি অল-ইন-ওয়ান পিসি যা ক্রোম ওএস কে ২১.৫ ইঞ্চি ও ১৯২০ x ১০৯০ ফুল এইডি রেজুলেশনের একটি বড় ডিসপ্লেতে সমন্বিত করেছে।
এটাও মনে হচ্ছে, এন্ড্রয়েড নিজেই ডেস্কটপের দিকে ধাবিত হতে শুরু করেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী PC Plus এ ধরনের মেশিন তৈরির পথে অনেকখানি এগিয়েছে। এ ধরনের ল্যাপটপে উইন্ডোজ ৮.১ ও এন্ড্রয়েড উভয়ই থাকবে যা আগামী জানুয়ারীতে লাগ ভেগাসের সিইএস এক্সপোতে উম্মোচিত হতে যাচ্ছে।
উইন্ডোজ ৮.১ তার পূর্ববর্তী ভার্সনসমূহের মত দ্রুত মার্কেট শেয়ার অর্জনের লক্ষ্যে এক বন্ধুর পথ পরিক্রমায় রত এবং মাইক্রোসফটকে এখন সার্ফেস নিয়ে নিজস্ব পিসি পার্টনারদের সাথে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে, তাই এটা মোটে ও অবাক করার মত বিষয় নয় যে, লিনাক্সের ডেস্কটপ মার্কেটে প্রতিযোগিতা এর নিজস্ব হার্ডকোর ব্যবহারকারীদের সীমানা পেরিয়ে অবশেষে আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে।

৩. স্টিম ওএসঃ মূলধারার লিনাক্স গেমিং এর আগমন

একটি প্রধান গেমিং কোম্পানী হিসেবে Valve এর স্টিম ওএস রিলিজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন হয়ে দেখা দিয়েছে ডেস্কটপ মার্কেটে। মূলতঃ এটি একটি ডেবিয়ান নির্ভর লিনাক্স যা লিনাক্স পিসি গেমিং এর উদ্দেশ্যেই বিশেষভাবে ডিজাইনকৃত।
Valve এর এরকম সিদ্ধান্তের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য অন্যান্য কোম্পানীর মত নয় যারা লিনাক্স ও ওপেন সোর্সে বিনিয়োগ করছে তাদের লিনাক্সের প্রতি উষ্ণ, আন্তরিক মনোভাবের কারনে। বছরের শুরুতে Valve এর বিলিয়নিয়ার চিফ এক্সিকিউটিভ গেব নিওয়েল মতামত দিয়েছেন এভাবে - “না, Valve তার নিজস্ব ডেস্কটপ লিনাক্স এবং স্টিম মেশিন, ডেডিকেটেড গেমিং কনসোল রিলিজ করেছে এ জন্য যে পিসির জগতে উইন্ডোজ ৮ একটি বড়সড় বিপর্যয় নিয়ে এসেছে।”
Valve এর মতে লিনাক্স হচ্ছে কম্পিউটিংয়ের ভবিষ্যত।

৪. ক্লাউড কম্পিউটিং- লিনাক্স যেখানে সর্বত্র

ডেস্কটপে আপনি লিনাক্সের উত্থান নিয়ে সন্দিহান থাকতে পারেন তবে ক্লাউড কম্পিউটিংএ লিনাক্সের প্রভাব নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। মাইক্রোসফটের Azure প্লাটফর্ম বাদে সকল প্রধান সফটওয়্যার প্লাটফর্ম যেমন এ্যামাজনের EC2  ক্লাউড, গুগল Compute Engine এবং বিভিন্ন OpenStack সফটওয়্যারসমূহ – সবাই লিনাক্স এবং ওপেন সোর্স সফটওয়্যার এর উপর নির্ভরশীল।  জনপ্রিয়তা লাভের কারনেই Azure  প্লাটফর্মে আপনি উবুন্টু, সেন্টওএস, Suse লিনাক্স এন্টারপ্রাইজ সার্ভার এবং OpenSuse চালাতে পারেন।
আপনি যদি আইটির জন্য শীঘ্রই ক্লাউড ব্যবহার করার পরিকল্পনা করে থাকেন তবে জোর সম্ভাবনা রয়েছে লিনাক্স ব্যবহারের। তাই হিসাবটা বর্তমানে খুব সহজ এবং এটা অনুমান করে নিতে হয় না।

৫. মোবাইল কম্পিউটিংয়ে রাজত্বঃ এন্ড্রয়েড 

ডেস্কটপ বাদেই, এন্ড্রয়েড আকারে লিনাক্স, বর্তমানে ব্যবহারকারীদের মাঝে রাজত্ব শুরু করে দিয়েছে। স্মার্টফোন জগতে এ্যাপল আইওএস এর থেকে একটি সহজ অগ্রগামীতা দিয়ে এন্ড্রয়েড তার যাত্রা শুরু করেছে। এ বছরের মাঝামাঝি এন্ড্রয়েড ট্যাবলেটের মার্কেট শেয়ার আইপ্যাড লাইনকে এক প্রকার উড়িয়ে দিয়েছে বলা যায়।  এন্ড্রয়েড বর্তমানে এক নাম্বার মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। বর্তমানে একমাত্র বাস্তবতা হচ্ছে এন্ড্রয়েড, আইওএস এর পরে তৃতীয় স্থানটি হবে কার।
প্রকৃতপক্ষে পিসির মার্কেট ক্রমশঃ সংকুচিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, ভবিষ্যতে সকল ধরনের প্লাটফর্মের মধ্যে এন্ড্রয়েড হতে পারে সব থেকে বেশী ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম।
সংক্ষেপে এগুলিই ছিল এ বছরের উল্লেখযোগ্য ঘটনা সমূহ। অর্থাৎ এটি এমন একটি বছর যেখানে লিনাক্স জগতে আলোড়ন সৃষ্টিকারী তেমন কোন ঘটনা নেই কিন্তু লিনাক্স ও ওপেন সোর্স সকল ধরনের কম্পিউটিংয়ে তার সফল পদচারনা ও প্রভাব বিস্তার অব্যাহত রেখে চলেছে। লিনাক্স ফাউন্ডেশনের চিফ এক্সিকিউটিভ জিম জেমলিন সম্প্রতি ঘোষনা দিয়েছেন, ২০১৩ সাল ছিল  "Linux on Everything"
তিনি পুরোপুরি সঠিক বলেছেন এবং সামনের বছরগুলিতে আমরা আরও বেশী লিনাক্সকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করতে দেখবো।
মূল লিংক- http://www.zdnet.com/5-top-linux-and-op … 000024621/