Showing posts with label Linux Installation. Show all posts
Showing posts with label Linux Installation. Show all posts

লিনাক্স ইনস্টলেশন প্রস্তুতি - ১ (হার্ডডিস্ক পার্টিশন)

লিনাক্স ইনস্টল করতে গিয়ে শুরুতে অনেকে বিভিন্ন সমস্যায় পড়েন। কারন লিনাক্স ইনস্টলের পদ্ধতি আর উইন্ডোজ ইনস্টলের পদ্ধতি পুরোপুরি ভিন্ন । এজন্য উইন্ডোজ ইনস্টলে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তি ও লিনাক্স ইনস্টলের সময় হার্ডডিস্কের পার্টিশন ফরম্যাট করে ফেলা, পুরো পার্টিশন টেবিল ভেঙ্গে একটি করে ফেলা, উইন্ডোজ পার্টিশন মুছে ফেলা, উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম মুছে ফেলা ইত্যাদি নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে ফেলেন। কিন্তু একটু সময় নিয়ে অভিজ্ঞদের সহায়তা ও ম্যানুয়াল পড়ে নিলে এ ধরনের সমস্যা এড়ানো সম্ভব।
তাই আসুন আজ আমরা লিনাক্স ইনস্টলের জন্য চমৎকারভাবে হার্ডডিস্ক পার্টিশন করা শিখে নেই।
শুরুর দিকে উইন্ডোজ ইনস্টলের জন্যও কমান্ড লাইনে fdisk নামের একটা টুলসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক পার্টিশন করতে হত। কিন্তু বিষয়টি এখন ক্লিক এন্ড গো এর মতই সোজা । তবে একটি বিষয় এক্ষেত্রে সবার দৃষ্টি এড়িয়ে যায় আর তা হল আগে কমান্ড লাইনে কাজ করতে গিয়ে কমবেশী সবাই জেনে নিতেন হার্ডডিস্কের গঠন কাঠামো ও ফাইল সিস্টেম সম্পর্কে । আর এখন বাস্তবতা হলো- ক্লিক এন্ড গো পদ্ধতিতে কাজ করতে গিয়ে সবাই হার্ডডিস্কের ডিটেইলস সম্পর্কে না জেনে তালগোল পাকিয়ে ফেলেন।
প্রথমে আমরা উইন্ডোজ ফাইল ম্যানেজার/মাই কম্পিউটারে ঢোকার পর যে C/D/E/F ড্রাইভ দেখি এটার কথা সাময়িকভাবে ভুলে যাই। কারন এটি আপনাকে হার্ডডিস্কের আসল রহস্যটা লুকিয়ে রেখে উপরের অংশটা দেখায়। হার্ডডিস্কের ডিটেইলস জানতে হলে My Computer এর উপর রাইট মাউস বাটন ক্লিক করে Manage এ ক্লিক করুন। তারপর বাম দিকের ট্রি কন্ট্রোল/মেনু থেকে Disk Management এ ক্লিক করুন। তাহলে নিচের মত দেখতে পাবেন।
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DeHdhTlZPcFo4cVk
খেয়াল করে দেখুন, ছবির একদম নিচে পার্টিশন মোট ৩ প্রকার- Primary partition, Extended partition, Logical drive। প্রাইমারি পার্টিশন এর কালারের সাথে যেগুলি মিলবে সেগুলি প্রাইমারি পার্টিশন। নীল কালারের যে ৫টি লজিক্যাল ড্রাইভ /পার্টিশন রয়েছে সেগুলিকে ঘিরে আরেকটি সবুজ রংয়ের বর্ডার বিদ্যমান। অর্থাৎ এ ৫টি লজিক্যাল ড্রাইভ একটি এক্সটেনডেড পার্টিশন এর আওতায় রয়েছে ।
লিনাক্সে এটি দেখার জন্য শেল প্রম্পটে ঢুকে কমান্ড দিন- sudo fdisk -l অথবা gparted চালু করুন।
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DeHdhTlZPcFo4cVk
এবার আসুন কিছু তাত্ত্বিক কথাবার্তা বলি। একটি হার্ডডিস্কে সর্বমোট ৪টি প্রাইমারি পার্টিশন থাকতে পারবে । এর বেশী প্রাইমারী পার্টিশন করা সম্ভব না । যখন হার্ডডিস্কের ধারন ক্ষমতা ছিল খুব কম মাত্র কয়েক মেগাবাইট/এক বা দুই গিগাবাইট তখন এটি ছিল যথেষ্ট । কিন্তু যখন ধারনক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে তখন প্রাইমারি পার্টিশন ছাড়াও আরও বেশী পার্টিশন তৈরির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। তখন ৩টি প্রাইমারী পার্টিশন করা হয়ে গেলে বাকী স্পেসকে একটি প্রাইমারী এক্সটেনডেড পার্টিশন হিসেবে তৈরীর সুযোগ দেয়া হয় । এই এক্সটেনডেড পার্টিশনকে যেকোন সংখ্যক পার্টিশনে বিভক্ত করা সম্ভব ।
তাহলে আমরা দেখলাম-
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DZmRQeE9QXzlNeTA
মোট ৪টি প্রাইমারী পার্টিশন থাকতে পারে একটি হার্ডডিস্কে এবং শেষের টিকে এক্সটেনডেড পার্টিশন (এটি ও মূলতঃ প্রাইমারী পার্টিশন) হিসেবে নিয়ে যেকোন সংখ্যক পার্টিশনে ভাগ করা যেতে পারে। অর্থাৎ উপরের হার্ডডিস্ককে আমরা এখন নিচের মত ভাগ করতে পারি-
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DYmVhNllUNm1iWDg
উপরের পার্টিশনটিকে উইন্ডোজের মাই কম্পিউটারে দেখাবে এমনভাবে-
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DYllNOTNHVnc0Zm8
তাই মাই কম্পিউটারে ঢুকে বোঝা সম্ভব নয় ঠিক কতটি প্রাইমারী ও লজিক্যাল পার্টিশন রয়েছে আপনার হার্ডডিস্কে। যদি আরেকটি হার্ডডিস্ক জুড়ে দেয়া হয় আপনার মেশিনে বর্তমানটির সাথে তবে সেগুলিও লজিক্যাল পার্টিশন হিসেবে দেখা যাবে My Computer → Manage এ গেলে।
এবার আমরা দেখি উপরের হার্ডডিস্কটিকে লিনাক্সে কিভাবে দেখাবে-
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DT3hLOWM0V283Tzg
যদি আপনার ডিস্কে প্রাইমারি পার্টিশন ১টি কম থাকে তবে উইন্ডোজে একইরকম দেখা যাবে।
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DbUEzcTgxajFhOUE
কিন্তু লিনাক্স এক্ষেত্রে আরো স্মার্ট। লিনাক্সে দেখাবে নিচের মত।
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DNUVkdXVzb3prYTA
অর্থাৎ লিনাক্স সবসময় প্রাইমারি পার্টিশন এর জন্য ১-৪ নম্বর রিজার্ভ রাখে। লজিক্যাল পার্টিশন শুরু হবে ৫ নম্বর থেকে । তবে উপরের sda1 দেখে হয়তো ভাবছেন এটা আবার কি জিনিস। এর থেকে তো C/D/E/F বোঝাই সহজ। তবে আপনার জন্যই বলি, লিনাক্সের পার্টিশন টেবিল যদি একবার বুঝে যান তখন উইন্ডোজ এর টি ফালতু মনে হবে। আচ্ছা বলুন তো- যদি ৩ টি হার্ডডিস্ক থাকে আপনার মেশিন তাহলে বলতে পারবেন C/D/E/F দেখে কোনটি কোন হার্ডডিস্কের পার্টিশন? লিনাক্সে তাও সম্ভব। আসুন দেখা যাক বিষয়টি-
এখানে sda1 প্রথমে বুঝে নেই। যদি আপনার হার্ডডিস্কটি SCSI/SATA হার্ডডিস্ক হয় তবে প্রথম দুটি অক্ষর দেখবেন sd আর যদি IDE হার্ডডিস্ক হয় তবে এটিকে দেখবেন hd হিসেবে। আর sd এর পরে a এর অর্থ হল প্রথম হার্ডডিস্ক। যদি দ্বিতীয় হার্ডডিস্ক হয় তবে দেখবেন b, তৃতীয় হার্ডডিস্ক হলে দেখবেন c ইত্যাদি। তারপর আছে 1 অর্থাৎ প্রথম পার্টিশন এবং অবশ্যই এটি প্রাইমারি পার্টিশন কারন ১-৪ পর্যন্ত সবই প্রাইমারী পার্টিশন। যদি 5 হতো তাহলে এটি হতো প্রথম লজিক্যাল ড্রাইভ। যদি একটি প্রাইমারী পার্টিশন থাকে মেশিনে তবে sda5 হবে উইন্ডোজের D ড্রাইভ আর লিনাক্সের প্রথম লজিক্যাল পার্টিশন। sda3 হলে উইন্ডোজে এটি হবে E ড্রাইভ আর লিনাক্সে হবে প্রথম হার্ডডিস্কের ৩য় প্রাইমারী পার্টিশন।
এখন বলুন তো, sdc5 হলে কি হবে? হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন, এটি হবে তৃতীয় হার্ডডিস্কের প্রথম লজিক্যাল পার্টিশন। আর উইন্ডোজে কি হবে তা প্রথম ও দ্বিতীয় হার্ডডিস্কের পার্টিশন কয়টি এবং তৃতীয় হার্ডডিস্কের প্রাইমারী পার্টিশন কয়টি তার উপর নির্ভর করবে । তাই বলা সম্ভব নয়। যদি প্রথম ও দ্বিতীয় হার্ডডিস্কে মোট ৮ টি পার্টিশন থাকে ওবং তৃতীয় হার্ডডিস্কে ২ টি প্রাইমারী পার্টিশন থাকে তবে এটি উইন্ডোজে M ড্রাইভ হিসেবে দেখাবে।
আর লিনাক্সের সবধরনের ডিস্ক, ডিভাইসকে /dev/ ফোল্ডারে দেখানো হয় তাই /dev/sda1 এর পূর্নাঙ্গ অর্থ হবে এরকম-
/dev/sda1 - /dev ফোল্ডারে প্রথম(a) sd হার্ডডিস্কের প্রথম (1) প্রাইমারী পার্টিশন। (উইন্ডোজে C Drive)
/dev/sda5 - /dev ফোল্ডারে প্রথম(a) sd হার্ডডিস্কের প্রথম (5) লজিক্যাল পার্টিশন। (উইন্ডোজে D Drive যদি একটি প্রাইমারী পার্টিশন হয়)
/dev/sda7 - /dev ফোল্ডারে প্রথম(a) sd হার্ডডিস্কের তৃতীয় (7) লজিক্যাল পার্টিশন। (উইন্ডোজে E Drive যদি একটি প্রাইমারী পার্টিশন হয়)
/dev/hda5 - /dev ফোল্ডারে প্রথম(a) hd হার্ডডিস্কের প্রথম (৫) লজিক্যাল পার্টিশন। (উইন্ডোজে D Drive যদি একটি প্রাইমারী পার্টিশন হয়)
সুতরাং লিনাক্সে আরো ভালভাবে বলা যায় আপনি কোন হার্ডডিস্কের কত নম্বর প্রাইমারী/লজিক্যাল পার্টিশনে কাজ করছেন যা উইন্ডোজে খুজে পাওয়া বেশ কষ্টকর My Computer → Manage থেকে।
তাই লিনাক্স বেশী স্মার্ট।
আরেকটি কথা- উইন্ডোজ OS প্রাইমারী পার্টিশন ছাড়া ইনস্টল করা যায় না কিন্তু লিনাক্স OS প্রাইমারী/লজিক্যাল যেকোন পার্টিশনে ইনস্টল করা যায়।
তাই পূর্বে উইন্ডোজ ইনস্টল করা মেশিনে gparted দিয়ে একটি আলাদা লজিক্যাল পার্টিশন তৈরী করে নিয়ে লিনাক্স ইনস্টল করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার আগের ইনস্টল করা উইন্ডোজ থাকবে অক্ষত।
বুট করার সময় উইন্ডোজ/লিনাক্স কোনটিতে যেতে চান সেরকম অপশন পাবেন। সিলেক্ট করে দিলে মেশিন আপনার চাহিদামত লিনাক্স/উইন্ডোজে বুট করবে।
লিনাক্স ইনস্টলের জন্য পার্টিশন করার সব থেকে সহজ উপায় হচ্ছে লিনাক্সের সিডি/ডিভিডি/বুটেবল পেনড্রাইভ দিয়ে মেশিন বুট করুন। তারপর মেনু থেকে gparted সিলেক্ট করে একটি লজিক্যাল পার্টিশন তৈরী করে নিন।
তারপর লিনাক্স ইনস্টল করুন। ইনস্টলের জন্য কমান্ড এখান থেকেই দিতে পারবেন। সাধারনতঃ লিনাক্স সিডি/ডিভিডি/পেনড্রাইভ থেকে বুট করার পর ডেস্কটপের উপর শর্টকার্ট/প্রোগাম মেনুতে ইনস্টলের জন্য মেনু (Install Linux on Your Machine বা এ রকম) থাকে। উইন্ডোজের মত ইনস্টলের জন্য সিডি থেকে আলাদা বুট করতে হয় না। এমনকি সিডি থেকে আপনি সব প্রোগ্রাম চালিয়ে দেখতে পারেন ইনস্টলের আগেই যা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে সম্ভব নয়।
আলাদা পার্টিশন করার আগে যে ড্রাইভে জায়গা বেশী ফাঁকা সেটি থেকেই জায়গা নিতে পারেন অথবা সব থেকে শেষের পার্টিশন থেকে জায়গা বের করে নিন ঐ ড্রাইভের ফাইলসমূহ অন্য ড্রাইভে কাট-পেস্ট/মুভ করে। তবে শেষের পার্টিশন থেকে জায়গা বের করে নেয়াই নিরাপদ। এটি করলে পরবর্তীতে ঝামেলা কম হয়। এটি করাও বেশ সহজ। লিনাক্সের সিডি থেকে বুট করার পর ফাইল ম্যানেজার চালু করে উইন্ডোজের মাই কম্পিউটারে ঢুকে যেভাবে কাট-পেস্ট করেন ঠিক সেভাবে করতে পারবেন।
ফাইল সরিয়ে নেয়ার পর আসুন কিভাবে পার্টিশন করবেন তা হাতে কলমে দেখি।
প্রথমে System Tools → Administration → Gparted Partion Editor চালু করুন।
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DRTh2ZzdqSHl1WFk
যে পার্টিশনটি থেকে স্পেস নিবেন সেটির উপর রাইট মাউস বাটন ক্লিক করে Resize/Move এ ক্লিক করুন। তারপর Free space following (MiB) বক্সে ক্লিক করুন এবং লিখুন ১২০০০-১৩০০০ এর মধ্যে যেকোন সংখ্যা।
অর্থাৎ আমরা ১২ গিগার কাছাকাছি একটি রুট পার্টিশন করছি লিনাক্সের জন্য । এটাই যথেষ্ট । সোয়াপ পার্টিশন যাদের ১ গিগা Ram আছে তাদের দরকার নেই। যারা আলাদা হোম পার্টিশন করতে চান তারা নিজ দায়িত্বে করুন। একজন নতুন ব্যবহারকারীর জন্য রুট (/) পার্টিশনই যথেষ্ট। কারন উইন্ডোজের ড্রাইভগুলিতে লিনাক্স থেকেই ফাইল সেভ/এডিট করা যায়। লিনাক্সের জন্য আলাদা ডেটা পার্টিশন না থাকলেও চলে । তবে হোম ফোল্ডার সবসময় খালি রাখার চেষ্টা করবেন। বেশী ভারী হলেই ডেটা অন্য পার্টিশনে মুভ করে নেবেন। কারন হোমে জায়গা না থাকলে প্রোগ্রামগুলিই রান করবে না যেহেতু আপনার রুট এবং হোম ফোল্ডার একই পার্টিশনে আছে এক্ষেত্রে । এটি সবসময় খেয়াল রাখবেন তা না হলে পরে সমস্যায় পড়তে পারেন।
তারপর আবার New Size(MiB) বক্সে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার দেয়া নতুন ড্রাইভ সাইজ প্রদর্শন করবে। এবার Resize/Move বাটনে ক্লিক করুন।
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DcXFRa3Eya2VtNTg
এবার Apply All Operations এ ক্লিক করে অপেক্ষা করুন। আশা করি আপনার পার্টিশন তৈরী হয়ে যাবে ।
https://drive.google.com/uc?export=view&id=0B4dfDqcrM72DVmpBSFNKUGlrS3M
সবশেষে একটি কথা- বারবার জিপার্টেড দিয়ে হার্ডডিস্ক পার্টিশন ফরম্যাট/এডিট/ডিলিট করা থেকে বিরত থাকুন কারন ঘনঘন করলে তা আপনার হার্ডডিস্কে ঝামেলা করতে পারে। তাই প্রথমে কাগজ কলম নিয়ে বসে হার্ডডিস্কের একটি পার্টিশন টেবিল তৈরি করে নিন- অর্থাৎ কয়টি প্রাইমারি, কয়টি লজিক্যাল থাকবে, কোন ড্রাইভে কি ধরনের ফাইল রাখবেন- তা ঠিক করে নিয়ে বসে পড়ুন। তারপর ধীরে ধীরে কাজ শেষ করুন। তাড়াহুড়ো করবেন না, তাতে আপনারই ক্ষতি।
সামনের দিন দেখবো কিভাবে আপনার তৈরী করা পার্টিশনে লিনাক্স ইনস্টল করবেন। আজ এ পর্যন্তই । ভাল থাকুন – সুস্থ থাকুন ।
(এটি একই সাথে আমার ব্লগেও প্রকাশিত এবং স্ক্রিনশটগুলি নেয়া হয়েছে মুক্ত বাংলা জিএনইউ/লিনাক্স থেকে- মুক্ত বাংলা লিনাক্স সম্পর্কে জানতে এখানে দেখুন- http://forum.projanmo.com/topic46595.html )

লিনাক্সের কোন ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবহার করবেন?

লিনাক্স নিয়ে যে প্রশ্নটি প্রায়ই শোনা যায় তা হল - “কোন ডিস্ট্রোটি ব্যবহার করব আমি?”। সত্যি কথা বলতে কি- আমি নিজেও এক সময় এটি নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্ধে থাকতাম। যে ডিস্ট্রো ব্যবহার করি সেটিই ভাল লাগতো। আবার নতুন কিছুর কথা শুনলে সেটিও ব্যবহার করতাম এবং আরো পছন্দের তালিকা বাড়তে থাকতো। বিভিন্ন লিনাক্স ও প্রযুক্তি ফোরামেও এটি একটি আলোচিত বিষয়।

প্রশ্নের উত্তরটি খুব সহজ মনে হলেও আদতে তা কিন্তু মোটেই নয়। লিনাক্সের বিভিন্ন ডিস্ট্রিবিউশনগুলি (সংক্ষেপে ডিস্ট্রো) বহু সংখ্যক প্যাকেজসহ প্রকাশিত হয়ে থাকে এবং এ প্যাকেজগুলির টার্গেট ও থাকে ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপের ব্যবহারকারী। যেমনঃ কিছু ডিস্ট্রো গুরুত্ব দিয়ে থাকে ব্যবহারের স্বাচ্ছন্দ্যতাকে, কিছু ডিস্ট্রো টার্গেট করে থাকে পাওয়ার ইউজার/হ্যাকারদেরকে, কিছু ডিস্ট্রো অনেক অনেক Ram সম্পন্ন শক্তিশালী মেশিনের জন্য রিলিজ হয়ে থাকে আবার কোন কোনটি খুব কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারকে টার্গেট করে রিলিজড হয়ে থাকে।

এ প্রশ্নের উত্তরে কয়েকটি সম্ভাব্য উত্তর হতে পারে নিম্নরূপঃ

  • কয়েকটি ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবহার করুন এবং দেখুন কোনটি আপনার ভাল লাগে
  • আপনার পরিচিত লিনাক্স গুরু/ফ্যানরা যে ডিস্ট্রো ব্যবহার করেন সেটির উপর জোর দিন কেননা সমস্যায় পড়লে আপনি সহজেই তাদের কাছে সাহায্য পেতে সক্ষম হবেন।

লিনাক্স পরীক্ষা করে দেখার জন্য কোন ডিস্ট্রো ভাল?

যদি আপনি অন্য অপারেটিং সিস্টেমে দ্রুত সুইচ করতে না চান তবে মেশিনে লিনাক্সকে ডুয়াল বুটিং সিস্টেম হিসেবে রাখুন অথবা একটি ইউএসবি/পেন ড্রাইভে ইনস্টল করে নিন। অথবা Knoppix/Ubuntu/Mepis/Mint/Slax/Sidux এর মত কোন লাইভ সিডি বেজড ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবহার করে দেখুন। কিন্তু এ ধরনের ডিস্ট্রিবিউশনগুলি খুব ধীরে কাজ করে যেহেতু সিডি-রমের গতি অত্যন্ত কম। তাই যদি পরিপূর্ন শক্তি ও গতিতে লিনাক্স ব্যবহার করতে চান তাহলে কমপ্লিট ইনস্টল দিন হার্ডডিস্কে। বেশীরভাগ লাইভ সিডিই হার্ডডিস্কে ইনস্টল করা যায় যদি আপনি তা পছন্দ করেন।

নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য কোন লিনাক্স?

প্রথমেই লাইভ সিডি দিয়ে মেশিন বুট করে নিন, তারপর তা হার্ডডিস্কে ইনস্টল করে ডুয়াল বুটিং করে নিন আপনার বর্তমান অপারেটিং সিস্টেমের সাথে। এগুলি করার জন্য সবার আগে আপনার মূল্যবান ডাটা কোথাও ব্যাকআপ করে নিন যাতে পরে সমস্যায় না পড়েন।

যদি আপনি লিনাক্সে একদম নতুন হয়ে থাকেন এবং টেকনিক্যাল কোন কিছু না শিখে শুধুমাত্র এটিকে সফলভাবে ইনস্টল করে ব্যবহার করতে চান তাহলে বর্তমান অপারেটিং সিস্টেমের পাশাপাশি ডুয়াল বুটিং করাকেই অগ্রাধিকার দিন। এজন্য একেবারে লেটেস্ট ভার্সনের কোন ডিস্ট্রো যেমনঃ Linspire, Mepis, Mandriva, Fedora, Suse অথবা Ubuntu এর কোন একটিকে সংগ্রহ করুন। যদি লিনাক্সের স্বাদ গ্রহন করেই ক্ষান্ত হতে চান তবে অবশ্যই নতুন ভার্সন যেমনঃ আলফা, বিটা অথবা রিলিজ ক্যানডিডেট (RC) ভার্সন থেকে দূরে থাকুন। এগুলি যারা লিনাক্সে অভিজ্ঞ তাদের জন্য কারন এগুলি চলার সময় সমস্যা হলে তারা সহজেই ইন্টারনেট, ফোরাম বা অন্যান্য জায়গা ঘাটাঘাটি করে সমাধান করতে পারেন। কিন্তু নতুন ব্যবহারকারীগন তা পারেন না সহজে। তাই অবশ্যই কোন স্ট্যাবল ভার্সন ডাউনলোড করে সিডি/ডিভিডিতে রাইট করে নিন। কোথা থেকে ডাউনলোড করবেন তা জানার জন্য সবচেয়ে ভাল সাইট হচ্ছে http://distrowatch.com/ । এখানে প্রায় সবধরনের ডিস্ট্রিবিউশন সম্পর্কে অতি সহজে জানতে পারবেন তাদের লিংক সহ। ঘুরে আসুন সময় পেলে। আমি প্রতিদিনই একবার ঘুরে আসি সাইটটি থেকে। কারন প্রতিদিন কোন ডিস্ট্রো আপডেট হচ্ছে তা জানার খুব ভাল রিসোর্স এটি। একসময় দেখবেন নেশা লেগে যাবে এ সাইটের জন্য।

অভিজ্ঞ (Power User) ব্যবহারকারীদের জন্য কোন লিনাক্স?

যদি আপনি একজন ভাল মানের ব্যবহারকারী হন এবং ইনস্টলের মাধ্যমে লিনাক্সের টেকনিক্যাল খুটিনাটি বিষয় শিখতে চান তবে যে কয়টি ডিস্ট্রো আপনার চাহিদা মেটাতে পারে তা হলঃ Gentoo, Arch Linux, Debian, Slackware। যদি আপনি আরো অভিজ্ঞ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন এবং লিনাক্স একদম গোড়া থেকে শুরু করতে চান তাহলে আপনার জন্য উপযোগী Linux From Scratch- যেটি আসলে কোন ডিস্ট্রিবিউশন নয় বরং কিছু নির্দেশনার সমষ্টি যাতে আপনি কিভাবে নিজের জন্য একটি ডিস্ট্রো বানাবেন তা দেখানো আছে।

বিশেষ উদ্দেশ্যের জন্য কোন ধরনের ডিস্ট্রো ব্যবহার করবেন এবার তা নিয়ে আলোচনা করা যাক।

সার্ভারের জন্য কোন ডিস্ট্রো

ডেবিয়ান, রেডহ্যাট এবং স্ল্যাকওয়ার সার্ভারের জন্য খুব বিখ্যাত। ডেবিয়ানের সিকিউরিটি পলিসি এবং চমৎকার প্যাকেজিং সিস্টেম একে নন-কমার্শিয়াল সলুশনের জন্য এগিয়ে রেখেছে নিঃসন্দেহে। এতে সকল ধরনের সিকিউরিটি ফিক্সগুলিকে আলাদাভাবে আপডেট করা হয় যাতে মেইন প্রোডাকশন এর পরিবেশ বিঘ্নিত ও ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। স্ল্যাকওয়ারের আপ-টু-ডেট প্যাকেজ একটি সিকিউরড সিস্টেম প্রদান করে এবং এর স্বচ্ছতা সিস্টেম এ্যাডমিনিস্ট্রেটরদেরকে সহজেই কাস্টমাইজেশনে সহায়তা করে থাকে। রেড হ্যাটের নিজস্ব সাপোর্ট সিস্টেম কমার্শিয়াল ও দামী সার্ভার মেইনটেন এর জন্য কর্পোরেট পরিবেশে খুবই আকর্ষনীয়।

পুরাতন কম্পিউটার এর জন্য কোন ডিস্ট্রো?

বেশ কিছু ছোট এবং দ্রুতগতির ডিস্ট্রো রয়েছে পুরাতন মেশিনের জন্য যেমন ভেক্টর লিনাক্স (Vector Linxu)যেটি খুব কম ধারনক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কে এবং কম গতির প্রসেসরযুক্ত মেশিনে ইনস্টল করা সম্ভব। এমনকি আপনি প্রথম দিককার 386 মেশিন যেটিতে ২/৪ মেগাবাইট Ram রয়েছে তাতেও লিনাক্স ইনস্টল করতে পারবেন। তবে XFree86 গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেসের জন্য কমপক্ষে ৮মেগাবাইট সম্পন্ন ৪৮৬ প্রসেসরের মেশিন প্রয়োজন। ফায়ারওয়্যাল, ইমেইল ক্লায়েন্ট অথবা বেসিক টেক্সট এডিটিং এবং স্ক্রিপ্টিং এর জন্য এটুকুই যথেষ্ট। তবে পরিপূর্ন গ্রাফিক্যাল এনভারোনমেন্ট পাওয়ার জন্য পাপ্পি লিনাক্স, স্লিটাজ লিনাক্স এর মত কোন একটি ডিস্ট্রো ব্যবহার করতে পারেন। এগুলি চালানোর জন্য ৩২ মেগাবাইট Ram এবং ৫০০ মেগাবাইটের হার্ডডিস্কই যথেস্ট।

গেমের জন্য কোন ডিস্ট্রো?

গেম চালানোর জন্য প্রায় সব ডিস্ট্রোই ভাল সাপোর্ট দিয়ে থাকে। তবে ডিস্ট্রো পছন্দের চাইতে গুরুত্বপূর্ন হচ্ছে কোন লাইট এনভারোনমেন্ট যেমন XFCE ব্যবহার করা যেটি সত্যিই ভাল কাজ দিবে।

Gentoo এবং Source Mage লিনাক্সের মডিফাইড কার্নেল একটি পরিপূর্ন গেমিং প্লাটফর্ম হিসেবে এদেরকে এগিয়ে রেখেছে। তবে এগুলি অবশ্যই একটু এ্যাডভান্সড ব্যবহারকারীদের জন্য।

উইন্ডোজ/ইউনিক্স ডিস্ট্রোসমূহের তালিকার বিস্তৃতি কেমন হতে পারে?

যদি আপনি নতুন ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন তবে উইন্ডোজের মত দেখতে এমন কোন ডিস্ট্রোকেই প্রাধান্য দিবেন। কারন খুবই স্পষ্ট। নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে সবাই প্রথমে পুরনোকেই আকড়ে ধরতে চায়। অন্য দিকে, যারা ম্যানুয়াল কনফিগারেশন পছন্দ করেন তারা অবশ্যই ইউনিক্স নির্ভর সমাধান খুজবেন। তাই নিচের তালিকাটি আপনাদের বোঝার জন্য কিছুটা সহায়ক হবে যেটি মূলতঃ ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে তৈরী করা।

Windows -> Linspire, Xandros -> Fedora, Mandriva, SuSe, Mepis, Ubuntu -> Debian -> Arch, Gentoo, Slackware -> BSD (Open, Free, Net, DragonFly), Solaris -> pure UNIX (Unixware, HP-UX, 4.4BSD).

এ তালিকাটি মূলতঃ ইনস্টলেশন এর স্বাচ্ছন্দ্যতা এবং শেল ব্যবহারের পরিমানের উপর ভিত্তি করে তৈরী করা। এটি কোনভাবেই ডিস্ট্রোর মানের নির্দেশক নয়। যেমনঃ ফ্রি বিএসডি এবং আর্চ ইনস্টলেশন একই রকম সহজ তাই এদের কোন একটিতে আপনার সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

লিনাক্স ইনস্টলের জন্য পার্টিশন করুন - উইন্ডোজ থেকে

ফয়সল এর সাথে আমার পরিচয় আইটি স্কলারশীপ প্রজেক্টে পড়াকালীন সময়ে। আমরা একই ব্যাচের ছাত্র ছিলাম। বেশ চটপটে, প্রানবন্ত আর উদ্যমী। যেকোন বিষয়ে অসীম আগ্রহ তার । একদিন লিনাক্স এর কথা তুলতেই সে তো অবাক। প্রশ্নের পর প্রশ্ন। এটি কি, কিভাবে কাজ করে, ইন্সটল কিভাবে করতে হয়? এরকম অনেক অনেক প্রশ্ন। আমি অবশেষে তাকে বললাম - চলুন সামনে বিডিলাগের(বাংলাদেশ লিনাক্স ইউজার গ্রুপ) এক সমাবেশে যাওয়া যাক। সে তো সাথে সাথেই রাজী। এক সাথে গেলাম এবং অনেক কিছুর সাথেই তাকে পরিচিত করালাম। কিছুটা কৌতুহল তার মেটাতে পারলাম। তারপর একসময় আমাদের কোর্স এর পরিসমাপ্তি ঘটল এবং আমরা যে যার মত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লাম। হঠাৎ একদিন তার ফোন। সে নতুন মেশিন কিনেছে এবং লিনাক্স ইনস্টল করতে চায়। কিভাবে সিডি যোগাড় করবে, কোথা থেকে করবে, ম্যানুয়াল আছে কিনা ইত্যাদি প্রশ্ন তার। আমি তাকে উবুন্তু এর ফ্রি সিডি কালেকশন এর পরামর্শ দিলাম। একদিন সিডি পেয়ে সে ইনস্টল করতে বসে গেল। আগেই মেশিনে তার এক্সপি ইন্সটল করা ছিল। কিন্তু পার্টিশন এর বিষয়ে তেমন কিছুই না জানায় পুরো মেশিন ফরম্যাট করে ফেলল। সব ডাটা লস করে আমাকে মোবাইল করল। কিন্তু এ অবস্থায় ঘাবড়ে না গিয়ে আমি তাকে ধীরে সুস্থে লিনাক্স ইনস্টল করতে বললাম অন স্ক্রিন কমান্ড ফলো করে। একসময় সে লিনাক্স ইনস্টল করতে সক্ষম হল কয়েকবার প্রচেষ্টার পর।

উপরের যে কাহিনী বর্ননা করলাম তা আমাদের ফোরাম এর সদস্যগন ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় প্রতিনিয়তই অনেকেই ডাটা লসের সম্মুখীন হচ্ছেন। কিন্তু এ থেকে কি পরিত্রানের কোন উপায়ই নেই?

বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় মেশিনে উইন্ডোজ ইনস্টল করা থাকে- তারপর লিনাক্স ইনস্টল করতে চায় সবাই। কিন্তু উইন্ডোজ প্রি-ইনস্টলড থাকায় পার্টিশন এর ডিটেইলস ব্যাপারগুলি না বোঝার কারনে সবাই ডাটা লসের সম্মুখিন হয়। তখন মাথায় হাত দেয়া ছাড়া কিছুই করার থাকে না। তারপর লিনাক্সের শাপ-শাপান্ত করেই তবে ছাড়ে। কিন্তু আমরা যারা উইন্ডোজ ব্যবহার করি তারা যদি আগেই লিনাক্স এর পার্টিশন তৈরী করে নিতে পারি উইন্ডোজ থেকে তাহলে এ সমস্যা থেকে খুব সহজেই পরিত্রান পেতে পারি। আসুন দেখা যাক কিভাবে এটি করা যায়।

আমরা এ জন্য পার্টিশন ম্যাজিক নামে একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করব। এর ৮.০ ভার্সন টি দিয়েই আজকে আমি আপনাদেরকে দেখাব কিভাবে এটি করা যায়। এর পরের ভার্সন ব্যবহার করেও এ কাজ করতে পারবেন।

প্র্রথমে পার্টিশন ম্যাজিক সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে নিন। এরপর স্টার্ট মেনু থেকে রান করুন। তাহলে নিচের মত স্ক্রিন আসবে।
ছবি
এবার Task মেনু থেকে Create New Partition এ ক্লিক করুন। এবার Next এ বাটনে ক্লিক করুন। এখানে নতুন পার্টিশনটি কোন পজিশনে তৈরি করবেন তা দেখিয়ে দিতে হবে। একেবারে শেষ ড্রাইভটি সিলেক্ট করুন অর্থাৎ নতুন পার্টিশনটি সবার শেষে তৈরী হবে। নিচের ছবির মতঃ
ছবি
এবার Next বাটনে ক্লিক করুন। এবার কোন কোন ড্রাইভ থেকে আপনি স্পেস নিতে চান তা সিলেক্ট করুন। যে ড্রাইভগুলিতে স্পেস বেশী আছে সেগুলির বাম পার্শ্বে টিক চিহ্ন দিন। নিচের ছবি দেখুনঃ
ছবি
আবার Next বাটনে ক্লিক করুন। এখানে যে পার্টিশনটি তৈরী করতে চাচ্ছেন তার সাইজ, ধরন ইত্যাদি নির্ধারন করে দিতে হবে। সাইজ মেগাবাইটে উল্লেখ করতে হবে। যেমন আপনি যদি চান ৫ গিগাবাইট তবে দিন ৫০০০ মেগাবাইট। ফাইল সিস্টেম টাইপ দিন Ext3। এবার Next বাটনে ক্লিক করুন। সবশেষে Finish বাটনে ক্লিক করুন।
ছবি
এখানে খেয়াল করুন লিনাক্সের জন্য দু'ধরনের পার্টিশন আছে - একটি হচ্ছে Ext(2/3) টাইপ, অন্যটি Swap টাইপ এর। লিনাক্স ইনস্টলের জন্য আপনাকে Ext2/Ext3 এর যেকোন একটি পার্টিশন তৈরী করতে হবে এবং আরেকটি করতে হবে Swap টাইপের। আমরা এতক্ষন ধরে Ext3 টাইপের একটি পার্টিশন তৈরী করেছি। আরেকটি করব সোয়াপ এর জন্য যার সাইজ হবে Ram এর দ্বিগুন। এটি ভার্চুয়্যাল মেমোরী হিসেবে কাজ করে যা Ram এর সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

আপনার র‌্যাম যদি ১ গিগাবাইটের হয় তাহলে এর সাইজ হবে ২ গিগাবাইট। এজন্য আগের মত Task মেনু থেকে Create New Partition এ ক্লিক করুন এবং আগের মতই সব কমান্ড দিন শুধু নিচের ছবির জায়গায় Linux Swap সিলেক্ট করুন।
ছবি
এখন পর্যন্ত আমরা শুধুমাত্র পার্টিশন ম্যাপিং করেছি অর্থাৎ কোন কিছুই এখনো কার্যকরী হয়নি। আপনি এবার সবশেষে Apply তে ক্লিক করলে মূল কাজ অর্থাৎ পার্টিশন শুরু হবে, তারপর কম্পিউটার রিস্টার্ট হবে। আর যদি আগের অবস্থানে ফেরত যেতে চান তবে Undo তে ক্লিক করুন।

পার্টিশন তো হল কিন্তু লিনাক্স কিভাবে ইনস্টল করবেন। হ্যা এবার সেটিই বলছি।

যেকোন ডিস্ট্রিবিউশনের সিডিটি ঢুকিয়ে লিনাক্স ইনস্টল এর এক পর্যায়ে পার্টিশন করতে চাইলে ম্যানুয়াল পার্টিশন করার অপশন সিলেক্ট করবেন। তারপর রুট(/) পার্টিশন হিসেবে আমরা যে Ext3 (৫ গিগাবাইটের) পার্টিশনটি তৈরী করেছি সেটি দেখিয়ে দিন এবং Swap হিসেবে (১/২ গিগাবাইটের) যেটি তৈরী করেছি র‌্যামের দ্বিগুন সাইজের সেটিকে সোয়াপ হিসেবে দেখিয়ে দিন।
আমি এখানে উবুন্তু এর স্ন্যাপশট তুলে দিচ্ছিঃ
ছবি
এখানে আপনি JFS Journaling File System অথবা Ext3 যেকোনটি সিলেক্ট করতে পারেন।

ছবি
উপরের ছবিতে সোয়াপ পার্টিশন সিলেক্ট করা হয়েছে।

তারপর পরবর্তী কমান্ডগুলি দিতে থাকুন। একসময় ঝামেলা বিহীন লিনাক্স ইনস্টল হয়ে যাবে। এটি যেকোন লিনাক্স এর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

Slax - পেন/USB ড্রাইভ থেকে চালানোর পারফেক্ট লিনাক্স

ছবি
অনেকদিন ধরেই বিভিন্ন লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন এবং উইন্ডোজ এক্সপি এর লাইভ সিডি ব্যবহার করে আসছি। এ ধরনের সিডি গুলি দিয়ে খুব সহজেই সমস্যা আক্রান্ত পিসি ডায়াগনোসিস করা যায়। কিন্তু আমি এ রকম একটি বহনযোগ্য অপারেটিং সিস্টেম খুজছিলাম যেটি হবে ইউএসবি ডিভাইস চালিত অর্থাৎ যেকোন মেশিন এ নিয়ে বুট করলেই হল। যাবতীয় কনফিগারেশনসহ আপনার সামনে হাজির হবে। চাইলে যেকোন ফাইল সেভ করে রাখতে পারবেন। সেদিন হঠাৎ স্ল্যাক্স নামে একটি লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন ডাউনলোড করলাম - মাত্র ১৮০ মেগাবাইট(http://www.slax.org)। এটি লিনাক্সের প্রথম দিককার একটি মানসম্মত ডিস্ট্রিবিউশন স্ল্যাকওয়্যার এর একটি সংক্ষিপ্ত ভার্সন এবং কেডিই বেজড। ইচ্ছে হলে আপনি অন্য উইন্ডো ম্যানেজার যেমন-এক্সএফসিই মডিউল হিসেবে এ্যাড করতে পারেন।


কিভাবে ইনস্টল করবেন?

এটি দুভাবেই - সিডি বা ইউএসবি থেকে- চালানো যায়। এর সবচেয়ে চমৎকার বিষয়টি হল এটি খুব সহজে পেন ড্রাইভে ইনস্টল করা যায়। অর্থাৎ টার ফাইলটি(http://www.slax.org/get_slax.php?download=tar) নামিয়ে সেভেনজিপ দিয়ে পেন ড্রাইভে এক্সট্রাক্ট করতে হবে। তারপর বুট নামক ফোল্ডারে ঢুকে bootinst.bat ফাইলে ডাবল ক্লিক করলেই হল। সাথে সাথে আপনার পেন ড্রাইভ বুটেবল হয়ে যাবে। তারপর মাদারবোর্ডে পেন ড্রাইভ/ইউএসবি কে বুট অপশনে দিয়ে দিন এবং পেন ড্রাইভ ইউএসবি পোর্টে দিয়ে মেশিন বুট করুন। চমৎকার এক চেহারা নিয়ে আপনার সামনে নিমিষেই হাজির হবে স্ল্যাক্স। এটি এত দ্রুত চলতে সক্ষম যে আপনার মেশিনে মাত্র ১২৮ মেগাবাইট মেমোরিই যথেষ্ট।

ট্রাবলশুটিং
যদি আপনার স্ল্যাক্সটি করাপ্টেড হয়ে যায় কোন চিন্তা নাই - আপনি উইন্ডোজ বা লিনাক্স থেকে পেন ড্রাইভের স্ল্যাক্স ফোল্ডারে change নামক ফোল্ডারটির সব গুলি ফাইল ডিলিট করে দিন। ব্যস আপনার স্ল্যাক্স আবার নতুন হয়ে যাবে।

এক নজরে সুবিধাঃ
১. হার্ডডিস্ক এর সব পার্টিশন অটো মাউন্টেড এবং রাইটেবল হয়ে যায়(NTFS, FAT, FAT32, ext2)। অর্থাৎ আপনি যেকোন ড্রাইভে পরিবর্তন করতে পারবেন। এটি উইন্ডোজ মেশিন করাপ্ট হলে খুব কাজে লাগে।

২. বেসিক সব ধরনের প্রোগ্রাম দেওয়াই আছে। যেমন-কে অফিস, এম প্লেয়ার, পিডিএফ রিডার, কনকারার ওয়েব ব্রাউজার, কেপিপি মডেম ডায়ালার, মেইল ক্লায়েন্ট, সিডি/ডিভিডি বার্নার ইত্যাদি। আমি সব ধরনের মাল্টিমিডিয়া ফাইলই চালাতে পেরেছি।

৩. অতিরিক্ত প্রোগ্রাম চাইলে মডিউল ডাউলোড করে(স্ল্যাক্স এর ওয়েব সাইট থেকে) এর মডিউল নামক ফোল্ডারে কপি পেস্ট করে দিলেই চলে। তারপর রিস্টার্ট দিলে এ প্রোগ্রামগুলি নিজেই যোগ করে নেয়। আমি এভাবে আমার পেন ড্রাইভে স্ল্যাক্স এর সাথে এ্যাভাস্ট এবং এফ-প্রট এন্টিভাইরাস লোড করে নিয়েছি।

৪. খুবই দ্রুত চলে। মনেই হবে না ইউএসবি ডিস্ক থেকে চলছে। এমনকি হার্ডডিস্ক এ ইনস্টলড উবুন্তু বা ডেবিয়ান থেকে ও দ্রুত মনে হয়েছে। যদি ও কেডিই একটু পুরনো কিন্তু ইন্টারফেস যথেষ্ট আকর্ষনীয়।

৫. এটি চালু অবস্থায় আপনি অন্য ইউএসবি পোর্টে কোন ডিভাইস লাগালে সেটি অটো ডিটেক্ট হবে।

৬. এটি দিয়ে আপনি ব্লু-টুথ বা ওয়াই ফাই ডিভাইস কানেক্ট করতে পারেন মেশিনে।

৭. ডেবিয়ান এর প্যাকেজ কে আপনি এর নিজস্ব মডিউল ভিত্তিক প্যাকেজ( lzm) এ কনভার্ট করে নিতে পারেন। তাছাড়া অন্যদের তৈরী মডিউল গুলি তো আছেই।
৮. নতুন কাউকে লিনাক্স এর অভিজ্ঞতা দিতে চাইলে এর চেয়ে ভাল বিকল্প আর নেই। শুধুমাত্র তার পেন ড্রাইভে এটিকে ইন্সটল করে দিন (যা মাত্র ১/২ মিনিট লাগবে) এবং এক্সপেরিমেন্ট করতে দিন। নির্ভয়ে সে এটি তার বাসায় চালিয়ে লিনাক্স ভীতি কাটিয়ে উঠতে পারবে। আর ও মজার ব্যাপার হচ্ছে এটি আপনার ইউএসবি ড্রাইভের ফ্যাট/ফ্যাট৩২ ফাইল সিস্টেমেই ইন্সটল করা যায়। কোন ফরম্যাট করার প্রয়োজন নেই।

অসুবিধাঃ
ডিফল্ট হিসেবে রুট ইউজার অটো লগইন হয়ে যায়- যা একটি সিকিউরিটি সমস্যা। ইচ্ছা করলে আপনি এটি পরিবর্তন করে নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে অন্য আর একটি ইউজার সেট আপ করে নিতে হবে।

UNetbootin- দিয়ে তৈরী করুন যেকোন লিনাক্স এর লাইভ ইউএসবি

UNetbootin-অসাধারন একটি সফটওয়্যার লিনাক্স এর লাইভ ইউএসবি তৈরীর জন্য। একই সাথে এটিকে আপনি হার্ডডিস্কে লিনাক্স ইন্সটল এর কাজে ও লাগাতে পারেন- তাও আবার হার্ডডিস্কে সেভ করা আইএসও ইমেজ থেকে। অর্থাৎ লিনাক্স এর আইএসও ডাউনলোড করে সিডিতে বার্ন না করলে ও চলবে। কি দারুন ফিচার - তাই না?

তবে এজন্য সফটওয়্যারটিকে অবশ্যই অন্য আরেকটি অপারেটিং সিস্টেম যেমন লিনাক্স/উইন্ডোজ ২০০০/এক্সপি থেকে চালাতে হবে। সফটওয়্যারটি লিনাক্স এবং উইন্ডোজ দু’ধরনের প্লাটফরমেই চলে। ফাইল সাইজ মাত্র ৩.৮৩ মেগাবাইট।

ডাউনলোড করুন এখান থেকে- http://unetbootin.sourceforge.net/ আপনার কাঙ্খিত প্লাটফরমের জন্য যেটি প্রয়োজন।

সফটওয়্যারটি প্রায় বেশিরভাগ লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশনকেই লাইভ ইউএসবিতে রূপান্তর করতে ওস্তাদ। দেখুন নিচের ছবিতে-
ছবি

ব্যবহারবিধিঃ
ডেবিয়ান, স্ল্যাকওয়্যার, ম্যানড্রিভা, উবুন্তু, সাবায়ন, ওপেনসুসি, লিনাক্স মিন্ট, ফেডোরা ইত্যাদি প্রচলিত প্রায় সবগুলি ডিস্ট্রিবিউশনকেই সাপোর্ট করে। ব্যবহার ও খুবই সহজ। এমনকি ম্যানুয়্যাল না দেখলে ও চলে। এটি সরাসরি আইএসও ডাউনলোড করে নিয়ে নিজেই কাজ করতে পারে অথবা আপনি হার্ডডিস্কে আপনার সেভ করা আইএসও দেখিয়ে দিন। তারপর ডেস্টিনেশন ড্রাইভ হিসেবে ইউএসবি/হার্ডডিস্ক সিলেক্ট করুন এবং ও.কে. করুন। ব্যস আপনার কাজ শেষ। এবার মেশিন রিস্টার্ট দিন এবং লিনাক্স এ লগইন করুন।

সুবিধাঃ

এটি দিয়ে হার্ডডিস্ক বা ইউএসবিকে ফরম্যাট না করেই লিনাক্স ইন্সটল করা যায়। অর্থাৎ আপনার ডাটা থাকবে সুরক্ষিত।

অসুবিধাঃ

হার্ডডিস্ক এ উইন্ডোজ থেকে ইন্সটল করলে লিনাক্স এর নেটিভ ফাইল ফরম্যাট পাবেন না। অর্থাৎ উইন্ডোজ পার্টিশনেই এটি ইন্সটল করবে। তাই নিজেকেই পার্টিশন তৈরী করে নিতে হবে। না হলে মেশিন কিছুটা স্লো কাজ করবে।
--------------------
অবশ্য সুবিধার তুলনায় এটা কোন ব্যাপারই না। Go Ahead.

বায়োস সাপোর্ট ছাড়াই ইউএসবি ড্রাইভ থেকে কম্পিউটার বুট করা

আমার এক আত্মীয় শখ করে একটি ল্যাপটপ কিনে বেশ কিছুদিন হল ব্যবহার করছে। হঠাৎ তার সিডি রম ড্রাইভটি সমস্যা করতে শুরু করল। সে এটি ঠিক করতে গিয়ে দেখতে পেল বাজারে প্রচলিত কোন ল্যাপটপের সিডিরম ই তার ল্যাপটপে সাপোর্ট করছে না। অতঃপর সে এটি ঢাকাতে বেশ কয়েকটি দোকানে কয়েক সপ্তাহ ফেলে রাখতে বাধ্য হল। তারপর বাসায় এনে এভাবেই কিছুদিন চালাতে থাকলেন। একদিন তার এক বন্ধুর পেনড্রাইভ কম্পিউটারে এটাচ করার সাথে সাথেই ভাইরাস এফেক্টেড। এখন কি করা? নতুন করে কিভাবে উইন্ডোজ ইনস্টল করবেন এই চিন্তায় ঘুম হারাম। অবশেষে ল্যাপটপটি ঢাকায় এক দোকান থেকে ফরম্যাট করে উইন্ডোজ ইন্সটল করে আনলেন। সবশেষে উপায়ন্তর না দেখে এটি বিক্রি করে একটি ডেস্কটপ কিনে তারপর নিশ্চিন্ত হলেন। তার ল্যাপটপে ২/৩ টি ইউএসবি পোর্ট থাকার পরও সেগুলি বুটেবল ছিল না। ফলে এক্সটারনাল সিডিরম লাগিয়ে বুট করতে পারেননি।

উপরে যে ঘটনাটি বললাম এটি আমাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া খুব স্বাভাবিক একটি ঘটনা। যেমন সেদিন এক ওষুধ সাপ্লাই কোম্পানির অফিসে গিয়ে দেখলাম তাদের ৪/৫ টি কম্পিউটারের প্রায় সবকটিতেই সিডিরম ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়েছে। কিন্তু মাদারবোর্ডে ইউএসবি বুটের অপশন না থাকাতে সবসময় ঝামেলায় পড়তে হয়। তাই আজ কিভাবে মাদারবোর্ড এ ইউএসবি বুটিং অপশন না থাকলেও কিভাবে ইউএসবি বুটেবল করা যায় তা দেখব। আসুন মূল আলোচনায় যাওয়া যাক।

ইউএসবি ড্রাইভ/পেন ড্রাইভ থেকে কম্পিউটার বুট করা/ লাইভ অপারেটিং সিস্টেম চালানো এখন একটি সাধারন ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। আপনার মাদারবোর্ড যদি ইউএসবি বুট সাপোর্ট করে তাহলে খুব সহজেই আপনি লাইভ অপারেটিং সিস্টেম চালিয়ে হার্ডডিস্কের সুবিধা আদায় করে নিতে পারেন। এছাড়া ভাইরাস, স্পাইওয়্যার এফেক্টেড কম্পিউটারকে ক্লিন করতে পারেন, নর্টন ঘোস্ট ইমেজ সফটওয়্যার এর মত ইমেজিং সফটওয়্যার এর সাহায্যে ইমেজ রিস্টোর করতে পারেন, সিস্টেম ফাইল করাপ্ট হলে/মিসিং হলে ম্যানুয়ালি কপি/রিপ্লেস করে দেয়া, ইত্যাদি বহু সুবিধার কথা বলা যায়। এছাড়া ধরুন আপনার ল্যাপটপের সিডি, ডিভিডি ড্রাইভটি নষ্ট কিন্তু নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা প্রয়োজন। তখন ইউএসবি বুট ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না। এমনকি আপনি এক্সটারনাল ইউএসবি সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ বুট করতে চান তাহলে অবশ্যই মাদারবোর্ডে ইউএসবি বুট সাপোর্ট থাকতে হবে। কিন্তু একটু পুরনো মাদারবোর্ড এই ইউএসবি বুট সাপোর্ট করে না। সেক্ষেত্রে কি এই সাপোর্ট পাওয়া সম্ভব নয়। হ্যা সম্ভব তবে একটু অন্যভাবে-PLoP নামক একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করে। প্রথমেই আসুন এটি ডাউলোড করে নিই-
লিংক- http://download.plop.at/files/bootmngr/plpgenbtldr-0.3.zip

এটি প্রথমেই আনজিপ করে নিন। তারপর এর ভিতর plpbt.bin এবং plpgenbtldr.exe ফাইল দুটিকে c:\ এ কপি করুন। এবার কমান্ড প্রম্পটে গিয়ে c:\ এ যান এবং plpgenbtldr.exe রান করুন। ফলে plpbtldr.bin নামে একটি ফাইল তৈরী হবে। এবার স্টার্ট থেকে রান মেনুতে গিয়ে লিখুন c:\boot.ini এবং এন্টার কি প্রেস করুন। তারপর এই ফাইলের একদম শেষ লাইনে নিচের লাইনটি যোগ করুনঃ
c:\plpbtldr.bin="Start PLoP Boot Manager"
এবার ফাইলটি সেভ করে বের হয়ে আসুন। এখন মেশিন রিস্টার্ট দিয়ে বুট অপশন থেকে Start PLoP Boot Manager সিলেক্ট করুন এবং এন্টার প্রেস করুন। ফলে নিচের স্ক্রিন দেখতে পাবেনঃ


এখান থেকে আপনি সিডি রম, ইউএসবি যে কোন ড্রাইভ সিলেক্ট করলেই সে নিজে থেকেই সার্চ করে আপনার দেয়া পেন ড্রাইভ বা কোন ইউএসবি সিডি রম ড্রাইভ, হার্ডডিস্ক থেকে মেশিন বুট করবে। এ পদ্ধতি শুধুমাত্র এক্সপি, উইন্ডোজ ২০০০ এর জন্য। ও হ্যা বলতে ভুলে গেছি এটি শুধু মাত্র এনটিএফএস ফাইল সিস্টেম সাপোর্টেড। তবে লিনাক্স ফাইল সিস্টেম সাপোর্ট করবে।

লিনাক্সের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র গ্রাব এর সিস্টেমটি আলোচনা করব যেটি ডেবিয়ান, উবুন্তু ইত্যাদিতে ডিফল্ট দেয়া থাকে।
প্রথমে ফাইলটি আনজিপ করুন এবং plpbt.bin ফাইটিকে /boot এ কপি করুন রুট ইউজার হিসেবে।

এবার কমান্ড দিন sudo gedit /etc/menu.lst । তাহলে menu.lst ফাইলটি ওপেন হবে। এখানে বুট অপশনের শেষে নিচের লাইন তিনটি যোগ করুনঃ

title PLoP Boot Manager
root (hd0,0)
kernel /boot/plpbt.bin

hd0- এখানে আপনার হার্ডডিস্কের ধরন অনুযায়ী অপশন দিতে হবে। যেমন সাটার ক্ষেত্রে sca1, scb2 ইত্যাদি।

এখন আপনি মেশিন রিবুট/রিস্টার্ট করলেই PLoP কে গ্রাব বুট ম্যানেজারে পাবেন।
এ প্রোগ্রামটি সি++ ব্যবহার করে তৈরী করা হয়েছে এবং সোর্স কোড জিপ ফাইলের সাথেই দেওয়া আছে। ইচ্ছে করলে আপনি নিজেই কম্পাইল করে নিতে পারেন আপনার সুবিধামত।

আজ এ পর্যন্তই। আশা করি এটি আপনাদের কাজে লাগবে।

এক বাংলাদেশীর তৈরী উবুন্টু Add-on

আপনারা যারা আমার পূর্বে লেখা উবুন্টু টিউটোরিয়াল গুলো পড়ে প্রণোদিত হয়ে Ubuntu ইনস্টল করেছেন তাদের অনেকেই মাল্টিমিডিয়া অর্থাৎ এমপি৩ (MP3) ও বিভিন্ন ভিডিও ফাইল প্লে করতে পারছেন না। এর কারন, আইনগত কারনে উবুন্টুতে সরাসরি এসব কোডেক দেয়া থাকেনা এগুলো ইন্টারনেট থেকে উবুন্টু রিপোজিটরী থেকে ডাউনলোড করে নিতে হয়। কিন্তু যাদের ইন্টারনেট সংযোগ নেই তারা কি করবেন??

এ সকল ব্যবহারকারীর প্রয়োজনীয়তার কথা ভেবে বাংলাদেশী ডেভলপার সালাউদ্দিন পাশা ( যিনি অন্কুরের একজন স্বেচ্ছাসেবক) একটি এডঅন সিডি তৈরী করেছেন যাতে এসকল অডিও ভিডিও কোডেক মিডিয়া প্লেয়ার প্রয়োজনীয় ইন্টারনেট এপ্লিকেশন সহ সফটওয়্যার ডেভলপমেন্টের প্রয়োজনীয় এপ্লিকেশন রয়েছে।

100 এক বাংলাদেশীর তৈরী উবুন্টু Add-on

42 এক বাংলাদেশীর তৈরী উবুন্টু Add-on

তবে এপ্লিকেশনের পূর্ণাঙ্গ তালিকা পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন

http://sites.google.com/site/addonpackages/Home

প্যাকেজের মধ্যে উল্যেখযোগ্য প্যাকেজ গুলো হচ্ছেঃ

মাল্টিমিডিয়াঃ

  • Dvdrip - ডিভিডি রিপিং এর জন্য আরো রয়েছে Mencoder, Subtitleripper,
  • Player - Gnome-mplayer, Helix-Player, Mplayer, Videolan VLC Player, XinePlayer
  • wammu - মোবাইল ফোন ম্যানেজার
  • SWF Tools - pdf2swf, jpeg2swf, png2swf, gif2swf, font2swf, wav2swf, swfcombine, swfextract ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হয়
  • wav2cdr- ওয়েভ মিউজিক ফাইলকে অডিও সিডির উপযোগী ফাইলে রুপান্তর করে
  • Sound-Juicer- গনোম ডেক্সটপের জন্য সিডি রিপার
  • Soundconverter- গনোম ডেক্সটপের জন্য সাউন্ড কনভার্টার যা অডিও ফাইল কে Ogg Vorbis, FLAC, or WAV format, MP3 ইত্যাদি format এ কনভার্ট করে।

আর সবরকম অডিও ভিডিও কোডেক তো রয়েছেই

ডেভলপমেন্টঃ

এই এড অন সিডিতে রয়েছে প্রয়োজনীয় অনেকগুলো প্রোগ্রামিং ও ডেভলপিং এর সহায়ক অনেক গুলো এ্যাপলিকেশন

ইন্টারনেটঃ

  • gwget - লিনাক্স এর জনপ্রিয় কমান্ডলাইন ডাউনলোড ম্যানেজার wget এর গ্রাফিক্যাল সংস্করণ
  • XChat- IRC চ্যাটিং এ্যাপলিকেশন

এগুলো সহ আরো অনেক এ্যাপলিকেশন

ডাউনলোড লিন্ক

টরেন্ট
http://thepiratebay.org/torrent/4565581

সরাসরি
http://www.uploadjockey.com/download/9414384/simpleaddon.part1.rar
http://www.uploadjockey.com/download/2690650/simpleaddon.part2.rar
http://www.uploadjockey.com/download/7786959/simpleaddon.part3.rar
http://www.uploadjockey.com/download/4728575/simpleaddon.part4.rar

ইন্সলেশন

Add-On.tar.gz ফাইল টি ডাউনলোড করে আনজিপ করুন এবং Simple_Add-On ফাইল টি রান করুন তাহলে আইকন সহ তিনরকম অপশন পাবেন। শুধু মাল্টিমিডিয়া প্যাকেজ ইনস্টল করতে চাইলে প্রথমটি, ইন্টারনেট সম্পর্কিত প্যাকেজ ডাউনলোড করতে চাইলে দ্বিতীয়টি, সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট সম্পর্কিত এ্যাপলিকেশন ইনস্টল করতে চাইলে তৃতীয় অপশন টিতে ক্লিক করুন তাহলে প্যাকেজ সমূহ ইনস্টল হয়ে যাবে।

আর সমস্যা হলে ওনার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন : salahuddin66@gmail.com এ

উবুন্টু ইন্টারপিড আইবেক্স ৮.১০ ইনস্টলেশন পদ্ধতি - ধাপে ধাপে

যদিও গাইড ছাড়াই উবুন্টু ইনস্টলেশন খুবই সহজ তারপর ও নতুনদের জন্য যারা পূর্বে লিনাক্স ব্যবহার করেন নি তাদের জন্য আজকের এর ইনস্টলেশন পদ্ধতি তুলে ধরছি।

ইন্সটলেশনের আগে

সর্বপ্রথম আপনি আপনার হার্ডডিস্কের পার্টিশন খালি করে নিন যে পার্টিশনে আপনি লিনাক্স ইনস্টল করতে চান। লিনাক্স ইনস্টলেশনের জন্য দুটি পার্টিশন প্রয়োজন হবে একটি লিনাক্স এর জন্য এবং আরেকটি সোয়াপ পার্টিশন (সোয়াপ পার্টিশন মূলত উইন্ডোজের Pagefile এর মত কাজ করে এটি মূল RAM হতে চাপ কমিয়ে সোয়াপ পার্টিশনকে ভার্চুয়াল RAM হিসেবে ব্যবহার করবে। লিনাক্সের মূল বা রুট পার্টিশন ৪ গিগাবাইট রাখতে পারেন এবং সোয়াপ পার্টিশন এর জন্য RAM এর সমপরিমান বা তার দ্বিগুন স্পেস নিয়ে আরেকটি পার্টিশন তৈরী করে নেবেন। অর্থাৎ আপনার RAM ৫১২ মেগাবাইট হলে সোয়াপ পার্টিশনের সাইজ হবে ৫১২×২=১০২৪ মেগাবাইট বা ১ গিগা। এই দুটি পার্টিশন কে আমরা লিনাক্স ইনস্টলেশনে ব্যবহার করবো। তবে পার্টিশন fat বা ntfs হলে সমস্যা নেই উবুন্টু ইনস্টলের সময় আমরা লিনাক্স পারটিশন সিলেক্ট করে নেব।

আসুন শুরু করি

ধরে নিচ্ছি আপনার কাছে উবুন্টু সিডি বা ডিভিডি আছে। এটি সিডি বা ডিভিডি রমে প্রবেশ করুন। তারপর পিসি রিস্টার্ট দিয়ে ডিলিট বাটন চেপে মাদারবোর্ডের বায়োস এ গিয়ে আপনার সিডি রম টি ফার্স্টবুট সিলেক্ট করুন ( বায়োসে অপশনটি পাবেন)। তারপর বায়োস থেকে বের হয়ে পিসি রিস্টার্ট হলে সিডি রম থেকে উবুন্টু বুট হবে। বুট হলে কয়েকটি অপশন দেখতে পাবেন তার মধ্যে প্রথমটি সিলেক্ট করুন। এটি আপনাকে উবুন্টু লাইভ ডেক্সটপে নিয়ে যাবে।

ডেক্সটপ এলে Install আইকনটিতে ক্লিক করুন। ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া শুরু হবে।

0 উবুন্টু ইন্টারপিড আইবেক্স ৮.১০ ইনস্টলেশন পদ্ধতি - ধাপে ধাপে

প্রথম ধাপ - ভাষা নির্বাচন

প্রথম ধাপে আপনাকে ইনস্টলেশনের ক্ষেত্রে ভাষা সিলেক্ট করতে হবে। আমি বাংলা সিলেক্ট করলাম ভাষা হিসেবে আপনি চাইলে ইংলিশ ও সিলেক্ট করতে পারেন। সিলেক্ট করে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

11 উবুন্টু ইন্টারপিড আইবেক্স ৮.১০ ইনস্টলেশন পদ্ধতি - ধাপে ধাপে

দ্বিতীয় ধাপ - অবস্থান নির্বাচন

এ ধাপে আপনাকে আপনার অবস্থান কোথায় দেখিয়ে দিতে হবে। আমি Dhaka সিলেক্ট করলাম। এবার পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

21 উবুন্টু ইন্টারপিড আইবেক্স ৮.১০ ইনস্টলেশন পদ্ধতি - ধাপে ধাপে

তৃতীয় ধাপ - কিবোর্ড বিন্যাস নির্বাচন

এখানে আপনাকে কিবোর্ড বিন্যাস বা কিবোর্ড লেআউট নির্নয় করে দিতে হবে। আপনি USA সিলেক্ট করতে পারেন বা Bangladesh-Probhat সিলেক্ট করতে পারেন । আমি এটিই সিলেক্ট করলাম। এবার পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

32 উবুন্টু ইন্টারপিড আইবেক্স ৮.১০ ইনস্টলেশন পদ্ধতি - ধাপে ধাপে

চতুর্থ ধাপ - হার্ডডিস্ক পার্টিশনিং

এটি চতুর্থ ধাপ এ ধাপে আপনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করবেন যেটি হল হার্ডডিস্ক পার্টিশনিং উবুন্টু লিনাক্স ইনস্টলেশনের জন্য। এখানে দুটি পদ্ধতি আছে তবে আমরা ম্যানুয়ালি পার্টিশনের কাজ সারবো তাই “নিজ হাতে” অপশন টি সিলেক্ট করুন তাহলে উবুন্টু আপনার হার্ডডিস্ক পার্টিশন সমূহ স্ক্যান ও ডিটেক্ট করা শুরু করবে। এতে কিছুটা সময় নেবে ধ্যৈর্য হারাবেন না। স্ক্যান শেষ হলে আপনার পার্টিশন গুলো দেখতে পাবেন।

41 উবুন্টু ইন্টারপিড আইবেক্স ৮.১০ ইনস্টলেশন পদ্ধতি - ধাপে ধাপে

এখানে একটু ভয় পেতে পারেন কারন লিনাক্স আপনার পার্টিশন সমূহ “C” বা ” D” ড্রাইভ হিসেবে দেখাবেনা । লিনাক্স আপনার হার্ডডিস্ক ড্রাইভ কে C,D,E এভাবে দেখাবে না । লিনাক্স দেখাবে বা sda1,sda5 এভাবে অর্থাৎ C drive টি হবে = sda1 D drive =sda5 [ C drive এর পরের ড্রাইভ গুলো শুরু হবে sda”5′” থেকে ]এরপর বাকি গুলো যথাক্রমে

  • E drive = sda6
  • F drive = sda7
  • G drive = sda8
  • H drive = sda9
  • I drive = sda10
  • J drive = sda11

আপনি যেহেতু আগেই দুটো পার্টিশন তৈরী করে রেখেছেন তাই আপনি পার্টিশনের আকার দেখলেই চিনতে পারবেন কোন পার্টিশনটিতে লিনাক্স ইনস্টল করবেন। আমি উবুন্টুর জন্য পূর্বেই দুটি পার্টিশন খালি করে রেখেছি একটি রেখেছি ৫ জিবি উবুন্টুর মূল বা “/” রুট পার্টিশনের জন্য আরেকটি রেখেছি উবুন্টু সোয়াপ পার্টিশনের জন্য। এখন ৫জিবি পার্টিশন টি সিলেক্ট করে ”পার্টিশন সম্পাদন করুন” বাটনে ক্লিক করুন।

তাহলে যে উইন্ডোটি আসবে তাতে ফাইল সিস্টেম হিসেবে ext3 বা jfs ফাইল সিস্টেম সিলেক্ট করুন। যদিও বেশিভাগ ext3 ফাইল সিস্টেম লিনাক্সের জন্য ব্যবহার করা হয় তবে jfs তার থেকে ফার্স্ট এবং রিলায়েবল তাই আমি জে.এফ.এস জার্নালিং ফাইল সিস্টেম সিলেক্ট করলাম। তারপর পার্টিশন ফরম্যাট করো টিতে চেকমার্ক দিন এবার মাউন্ট পয়েন্ট “/” স্ল্যাশ দিন এটিকে লান্কের রুট পার্টিশন বলে এবার ঠিকআছে বাটনে ক্লিক করুন।

51 উবুন্টু ইন্টারপিড আইবেক্স ৮.১০ ইনস্টলেশন পদ্ধতি - ধাপে ধাপে

এবার সোয়াপ পার্টিশনের জন্য যেই ছোট পার্টিশন টি তৈরী করেছিলেন তা সিলেক্ট করে একই ভাবে ”পার্টিশন সম্পাদন করুন” বাটনে ক্লিক করুন।

61 উবুন্টু ইন্টারপিড আইবেক্স ৮.১০ ইনস্টলেশন পদ্ধতি - ধাপে ধাপে

এবারর উইন্ডোটি থেকে “যেভাবে ব্যবহার করা হবে” থেকে “সোয়াপ স্থান” সিলেক্ট করুন এবং “ঠিকআছে” বাটনে ক্লিক করুন।

71 উবুন্টু ইন্টারপিড আইবেক্স ৮.১০ ইনস্টলেশন পদ্ধতি - ধাপে ধাপে

পঞ্চম ধাপ

তাহলে আপনার পার্টিশনের পরিবর্তন গুলো পার্টিশনের তালিকায় দেখতে পারবেন। এখনই কিন্তু পার্টিশন ফরমেট হয়ে যায়নি বা সিস্টেমে কোন পরিবর্তন হয়নি আপনি কোন ভূল করে থাকলে তা সংশোধন করতে পারেন। এবার ৫জিবির পার্টিশন টি বা যেটি “/” মাউন্টপয়েন্ট দেয়া আছে সেটি সিলেক্ট করে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করি।

ষষ্ঠ ধাপ - ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দেওয়া

এই ধাপে আপনি আপনার ইউজার নেম পাসওয়ার্ড ইত্যাদি সেট করবেন। এখানে প্রথম বক্সে আপনার নাম দিন দ্বিতীয় বক্সে আপনার লগইন নাম দিন, তৃতীয় বক্সে আপনার পাসওয়ার্ড দিন এটিই হবে আপনার এডমিনিস্ট্রেটর পাসওয়ার্ড।

পরের বক্সে থাকবে আপনার কম্পিউটারের নাম অর্থাৎ নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত থাকলে অন্য নেটওয়ার্কের পিসি সমূহ আপনার পিসিকে এই নামে দেখাবে। শেষের অপশনে চেক মার্ক করলে ইউজারনেম পাসওয়ার্ড দেয়া ছাড়াই আপনি উবুন্টু তে লগইন করতে পারবেন।

8 উবুন্টু ইন্টারপিড আইবেক্স ৮.১০ ইনস্টলেশন পদ্ধতি - ধাপে ধাপে

শেষ ধাপ - ইন্সটলেশন প্রক্রিয়া শুরু

এবার পরবর্তী বাটনে ক্লিক করলে শেষ ধাপ অর্থাৎ সপ্তম ধাপে আপনি শুধু Installবাটনে ক্লিক করলেই ইনস্টলেশন ধাপ শূরু হয়ে যাবে। প্রথমে এটি আপনার সিলেক্টকৃত লিনাক্স পার্টিশন টি ফরমেট হবে এবং উবুন্টু ইনস্টল হওয়া শুরু হবে। তাই পার্টিশনে কোন পরিবর্তন করতে চাইলে এখনই সময় পূর্ববর্তী বাটনে ক্লিক করে পরিবর্তন সাধন করতে পারেন বা ইনস্টল না করার সিদ্ধান্ত নিলে প্রস্থান বাটনে ক্লিক করতে পারেন। এবার ইনস্টল বাটনে ক্লিক করুন।

9 উবুন্টু ইন্টারপিড আইবেক্স ৮.১০ ইনস্টলেশন পদ্ধতি - ধাপে ধাপে

ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া শেষ হলে মেশিন রিবুট করলে আপনি লিনাক্স বুটলোডার হতে উবুন্টু বুট করতে পারেন। পূর্বের উইন্ডোজ থাকলে বুটিং অপশনে উইন্ডোজ ও পাবেন। ব্যাস হয়ে গেল উবুন্টু লিনাক্স ইনস্টলেশন। এখানে কোনকিছু বুঝতে না পারলে অবশ্যই কমেন্ট করুন।

জেনে রাখুন

আপনি যদি লগইন এর সময় রুট ইউজার হিসেবে লগইন করতে চান তবে System > Administartion > Login Window থেকে Security ট্যাবে গিয়ে Allow local System Administrator loginএ চেক মার্ক দিয়ে দিন।

আর আপনি ইউজার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে চাইলে System > Administartion > Users and Groups এ গিয়ে Unlock বাটনে ক্লিক করে আপনার এডমিনিস্ট্রটর পাসওয়ার্ড দিন তার পর ইউজার সিলেক্ট করে প্রোপার্টিস থেকে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে পারেন।

login উবুন্টু ইন্টারপিড আইবেক্স ৮.১০ ইনস্টলেশন পদ্ধতি - ধাপে ধাপে