skip to main |
skip to sidebar
ভাইরাস/সিকিউরিটি সমস্যাঃ
আজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাই। আমরা কম্পিউটার যারা ব্যবহার করি তারা কমবেশী সবাই এন্টিভাইরাস ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু তারপরও যখন আপনার পিসি হঠাৎ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আর বুট করে না তখন মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকা ছাড়া আর কিছুই করার থাকেনা। আবার কোন কোন সময় ভাইরাস আক্রান্ত হলে পিসি অদ্ভূত আচরন করতে থাকে। দেখা যায় খুব স্লো হয়ে যাচ্ছে, উইন্ডোজের বিভিন্ন অপশন ডিজ্যাবল হয়ে যায়, নানা রকম স্ক্রিন অটোমেটিক চালু হয়ে যায় ইত্যাদি। এ রকম অবস্থায় কি করবেন? হ্যা আমরা যখন আক্রান্ত হই তখন কি করতে পারি সেটি নিয়েই আমি আলোচনা করতে চাই। এ বিষয়টি সাধারনত প্রায়ই এড়িয়ে যাওয়া হয়। তাহলে চলুন একটি খুব ছোট সফটওয়্যার কুইকফিক্স ডাউনলোড করে নিই।
http://www.4shared.com/file/50524664/e9cfc6b8/QuickFix.html
এই সফটওয়্যার দিয়ে আপনি ব্যাকগ্রাউন্ডে কি কি প্রোগ্রাম রান করছে তা দেখতে পারেন। কয়েকটি ভাইরাস কে কিল করতে পারবেন, উইন্ডোজের বিভিন্ন অপশন ডিজ্যাবল হয়ে গেলে তাকে আবার এনাবল করতে পারবেন এবং সামান্য কিছু ইউটিলির কাজ করা যায়। এ সফটওয়্যারটি আমি সোর্সফরজ.নেট এ পেয়েছিলাম কিন্তু এখন আর সে লিংক টি কাজ করে না। তাই অন্য লিংক দিলাম। অনেক সময় ভাইরাস আক্রান্ত হলে msconfig কাজ করে না তখন এই সফটওয়্যারটি এর Startup অপশনটি দিয়ে একই কাজ করা যায় এবং এখানে গেলেই দেখতে পাবেন কোন ভাইরাস বা স্পাইওয়্যার এই কাজটি করছে। তবে সবসময় এখান থেকে রিমুভ করা যায় না। সেজন্য অবশ্যই এন্টিভাইরাস লাগবে।
স্ক্রিনঃ



সবচেয়ে ভাল হয় আপনি যদি http://www.ubcd4win.com/ লিংক থেকে একটি বুট সিডি তৈরী করে নেন। এটি একটি উইন্ডোজ এক্স পি লাইভ সিডি এবং অনেক ফ্রি ওয়্যার দেয়া আছে। যার মধ্যে ইজেডপিসিফিক্স(EzPCFix- http://ezpcfix.net/) নামে একটি সফটওয়্যার আছে যেটি দিয়ে আপনি ম্যানুয়ালি বেশীরভাগ স্পাইওয়্যার, ভাইরাস কম্পিউটার থেকে মুছে দিতে পারবেন। এটির ম্যানুয়ালটি একটু পড়ে নিলেই অনেক সহজে কাজ করতে পারবেন। আমি এটি নিয়ে কিছুটা আলোচনা করছি আশা করি আপনার কাজে লাগবে। আপনি লাইভ সিডি দিয়ে মেশিন বুট করার পর EzPCFix চালু করুন তাহলে নিচের মত স্ক্রিন পাবেন।

এখান থেকে Load Hives এ ক্লিক করুন ফলে বামপার্শ্বের অপশনগুলি এ্যাকটিভ হবে। এবার সিরিয়াল অনুযায়ী আমরা কাজ করব। প্রথমেই Delete Temp Files এ ডাবল ক্লিক করুন। এবার সবগুলিকে ডিলিট করুন। তারপর Registry Key তে ডাবল ক্লিক করুন এবং নিচের স্ক্রিন পাবেন।

এখানে যে আইটেমগুলি সন্দেহজনক সেগুলিকে রিমুভ করুন। একইভাবে Registry Values এর কাজ করুন।

এখন Start Menu Items এ ক্লিক করুন। এখানে ও যেগুলি সন্দেহজনক পাবেন ডিলিট করুন। এবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন একটি আইটেম নিয়ে আলোচনা করব। প্রায়ই দেখা যায় আমাদের অনেকেই এমন সব স্পাইওয়্যার ইন্সটল করেন যেগুলি আমাদের ব্রাউজার চালু হওয়া মাত্রই সক্রিয় হয় এবং অটোমেটিক ভাবে বিভিন্ন স্ক্রিন নিয়ে আসে। সরাসরি বিভিন্ন ওয়েবসাইটে নিয়ে যায় এছাড়া আরও কত সমস্যা। এখানে Browser Helper Objects এ ক্লিক করুন এবং যে প্রোগ্রামগুলি আপনি চেনেন না সেগুলি রিমুভ করুন। যেমন নিচের স্ক্রিনে প্রথম অপশনটি বোঝা যাচ্ছে এটি ইয়াহু এর টুলবার, দ্বিতীয় অপশনটি এডোবি এক্রোবেট রিডার এর প্লাগইন যেটি আপনার ব্রাউজারকে পিডিএফ ফাইল ওপেন করতে সাহায্য করে।

এবার আপনি Downloaded Program Files এ যান। এখানে যে সমস্ত প্রোগ্রাম অটোমেটিক ডাউনলোড হয়ে ইন্সটল করা হয়েছে তার একটি লিস্ট পাবেন। এখানে যে প্রোগ্রামগুলি সন্দেহজনক সেগুলি মুছে ফেলুন।

এবার একইভাবে ActiveSetup/Installed Components এর কাজ করুন।
এছাড়া ও এখানে পাবেন Winlogon/notify, Services, Shell Extensions, Internet Explorer Extensions, Internet Explorer Toolbars, File Rename Operations এর মত বেশ কিছু কাজের অপশন। আপনি ম্যানুয়ালি এভাবে বেশীরভাগ সমস্যার সমাধান করে ফেলতে পারবেন আশা করি। এছাড়া এই সিডি তে ১০ টি এন্টিস্পাইওয়্যার টুলস, ৪টি এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ও অন্যান্য আর ও অনেক টুলস আছে যা সত্যিই খুব দরকারী। তবে ExPCFix বুটি সিডি ছাড়া ভালভাবে কাজ করতে পারেনা এজন্য এর সাইটেই দেওয়া আছে কিভাবে বিভিন্ন বুটি সিডি তে এটি include করতে হবে। তাই ubcd4win এর সাথে ব্যবহার করাই উত্তম কারন এটিতে EzPCfix অর্ন্তভূক্ত করে দেয়া আছে।
লিংকঃ http://www.ubcd4win.com/contents.htm
সবার শেষে আপনি আপনার পুরনো যে এন্টিভাইরাস আছে সেটি আনইন্সটল করে Avast(http://www.avast.com/) এন্টিভাইরাস ইন্সটল করে নিন এবং মেশিন রিস্টার্ট এর সময় স্ক্যান এর অপশন সিলেক্ট করে দিন। ফলে উইন্ডোজ স্টার্ট এর আগেই মেশিন চেক করবে এবং কোন ভাইরাস পেলে ডিলিট অপশন সিলেক্ট করুন। এই অপশনটি সিস্টেম ফাইল করাপ্ট হলে ভাল কাজ দেয় কারন অন্যান্য এন্টিভাইরাস সিস্টেম ফাইল আক্রান্ত হলে কিছুই করতে পারেনা কিন্তু Avast এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম।
উইন্ডোজ এক্সপির কয়েকটি শর্টকাট কমান্ড- :
এগুলি প্রয়োগের জন্য স্টার্ট মেনু থেকে রান মেনুতে যান তারপর প্রয়োগ করুনঃ
এক্সপির শর্টকাট কমান্ড লিস্ট :
winword - এম এস ওয়ার্ড ওপেন এর কমান্ড
excel - এক্সেল ওপেন করার কমান্ড
devmgmt.msc - ডিভাইস ম্যানেজার৷
services.msc - সার্ভিস ম্যানেজার খোলার জন্য।
fsquit - ট্রান্সফার উইজার্ড৷
desk.cpi - ডিসপ্লে প্রোপার্টিজ ৷
main.cpi - মাউস প্রোপার্টিস ডিসপ্লে।
gpedit.msc - গ্রুপ পলিসি এডিটর৷
compmgmt.msc - কম্পিউটার ম্যানেজমেন্ট৷
msconfig - সিষ্টেম কনফিগারেশন ইউটিলিটি।
system32 - সিষ্টেম৩২ ফোল্ডার খোলা।
fonts - ফন্ট ফোল্ডার খোলা।
calc.exe – ক্যালকুলেটর।
cleanmgr.exe - ডিস্ক ক্লিনার।
clipbrd.exe - ক্লিপ বুক ভিউয়ার।
dfrg.msc - ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টার।
main.cpl - মাউস প্রোপাটিস্।
mmsys.cpl - সাউন্ড এন্ড অডিও ডিভাইস প্রোপার্টিস্।
ncpa.cpl - নেটওয়ার্ক কানেকশন।
netsetup.cpl – নেটওয়াক সেটআপ উইজার্ড।
notepad.exe – নোট প্যাড।
ntbackup.exe – ব্যাকআপ বা রিস্টোর উইজার্ড।
nusrmgr.cpl – ইউজার অ্যাকাউন্ট।
osk.exe – অন স্ক্রিন কি-বোর্ড।
sndrec32.exe - সাউন্ড রেকর্ড।
sndvol32.exe – ভলিউম কন্ট্রোল।
taskmgr.exe – টাস্ক ম্যানেজার
timedate.cpl – টাইম এন্ড ডেট কনফিগারেশন।
write.exe – ওয়ার্ড প্যাড।
wscui.cpl – উইন্ডোজ সিকিউরিটি সেন্টার
wuaucpl.cpl – অটোমেটিক উইন্ডোজ আপডেট।
mspaint - এম এস পেইন্ট
appwiz.cpl – অ্যাড রিমুভ প্রোগ্রাম
explorer – উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার
%windir% – উইন্ডোজ ডিরেক্টরি খোলার জন্য।
%SystemRoot%\system32\cmd.exe বা cmd.exe - কমান্ড প্রম্পট্
%HOMEDRIVE% - সি ড্রাইভ খোলার জন্য
%HOMEDRIVE%%HOMEPATH% - ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট ডিরেক্টরি খোলার জন্য
সেদিন মারুফের সাথে দেখা। আমার ছোট বেলার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। বলল - দোস্ত, কেমন আছিস? কোন খবর পাই না। অনেকদিন তোর মোবাইল বন্ধ। মোবাইল চুরির কথা বলতেই বলল - আরে রাখ। এ তো খুব সাধারন ব্যাপার । কিন্তু দোস্ত আমার কম্পিউটার তো যায় যায় অবস্থা। আমি বললাম- কেন? কি হল আবার? সেদিনই না উইন্ডোজ ইন্সটল করে দিলাম। ও বলল- আরে তার পর থেকেই তো প্রতিদিন পিসি একটু একটু করে স্লো হতে শুরু করেছে। এখন একটার বেশী প্রোগ্রাম একসাথে চালাতে গেলেই হ্যাং হয়ে যায়, অনেক সময় পর কাজ করা শুরু করে। কম্পিউটার নিজে নিজেই মাঝে মাঝে রিস্টার্ট হয়ে যায়। কিন্তু মজার ব্যাপার হল- মারুফের কম্পিউটার মোটামুটি লেটেস্ট কনফিগারেশন এর -এরপরও দেখা হলে অভিযোগ এর লিস্ট হাজির করতেই থাকে। আমাদের দেশে যারা একটু কম্পিউটারের ওস্তাদ মানে - এই.. কোনরকম উইন্ডোজ ইন্সটল করতে পারেন আর কি - তাদের কোন বন্ধু বান্ধবের সাথে দেখা হলে আর কোন কথাই নেই - এ রকম হাজারটা অভিযোগ নিমিষেই হাজির। এখন মারুফ এর আব্দার - দোস্ত আবার কবে যাবি উইন্ডোজ ইন্সটল করতে? ভাবুন অবস্থাটা!
উপরের যে উদাহরনটি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম সেটি কোন অবাস্তব দৃশ্য বা কল্পনা নয়। আমরা প্রায়ই এ জাতীয় দৃশ্যের মুখোমুখি হতে অভ্যস্ত। কিন্তু কেন এই সমস্যার উদ্ভব?
তাহলে আসুন আজ আমরা উইন্ডোজ এর সমস্যা নিয়ে কিছুটা আলোচনা করি তারপর তার সমাধান পাওয়ার চেষ্টা করব।
আমাদের দেশে বেশীরভাগ কম্পিউটার ব্যবহারকারীই যে অপারেটিং সিস্টেমটি ব্যবহার করে থাকি তার নাম উইন্ডোজ। যদি ও লিনাক্স এর ব্যবহারকারী দিন দিন বেড়ে চলেছে কিন্তু উইন্ডোজ এখনও ব্যবহারকারীর সংখ্যার দিক থেকে অদ্বিতীয়। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর দূর্বলতা হল ব্যবহারের কিছুদিন পর থেকেই এটি ধীরে ধীরে স্লো হতে থাকে। উইন্ডোজ আমাদের প্রিয় একটি অপারেটিং সিস্টেম সন্দেহ নেই কিন্তু উইন্ডোজ এর সিস্টেম এমন কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে যার ফলে এটি ধীরে ধীরে স্লো হয়ে পড়ে। যেমনঃ
১. উইন্ডোজ রেজিস্ট্রিঃ আমরা উইন্ডোজ রেজিষ্ট্রি এর সাথে অনেকেই কমবেশী পরিচিত। এটিকে আমরা উইন্ডোজ এর ব্যবহৃত নিজস্ব ডেটাবেজ হিসেবেই জানি। এই ডেটাবেজের আসল কাজটা কি? আমরা যখন কোন প্রোগ্রাম ব্যবহার করি তখন তার কিছু সেটিংস রেজিস্ট্রিতে উইন্ডোজ সংরক্ষন করে থাকে। যেমনঃ প্রোগ্রামটির রেজিস্ট্রেশন কি, প্রোগ্রামের বিভিন্ন কাস্টমাইজ সেটিংস, প্রোগ্রাম ইন্সটল এর পাথ ইত্যাদি। খুব সহজ উদাহরন হিসেবে বলা যায়- আপনি যখন এম এস ওয়ার্ডে কাজ করেন তখন এর ফাইল মেনু এর নীচে কিছু সর্বশেষ ব্যবহৃত ফাইলের তালিকা দেখা যায় অথবা স্টার্ট মেনু এর রিসেন্ট ডকুমেন্ট এর ভিতরে সর্বশেষ ব্যবহৃত ফাইলের তালিকা দেখা যায় - কখনও কি ভেবে দেখেছেন উইন্ডোজ এগুলি কোথায় সেভ করে রাখে পরবর্তীতে কাজে লাগানোর জন্য? আমার মনে হয় আপনি ধরতে পেরেছেন- হ্যা এগুলি সবই উইন্ডোজ তার নিজস্ব ডাটাবেজ উইন্ডোজ রেজিস্ট্রিতে জমা করে রাখে। আপনি স্টার্ট মেনুতে ক্লিক করে রান এ ক্লিক করে- লিখুন regedit এরপর এন্টার কি চাপুন। তাহলে আপনার সামনে Registry Editor চালু হবে। এখানে আপনি ক্লিক করে করে দেখতে পারেন বিভিন্ন প্রোগ্রামের ব্যবহৃত key সমূহ।

যেমনঃ এখান থেকে আপনি যদি HKEY_LOCAL_MACHINE --> SOFTWARE --> MICROSOFT --> IE Setup --> Setup এখানে আপনি path নামে একটি key দেখতে পাবেন। এই key তে একটি ভ্যালু আছে %programfiles%\Internet Explorer এরকম যার অর্থ হচ্ছে Internet Explorer Program টি যেখানে সেটআপ করা আছে তার লোকেশন। অর্থাৎ আপনি যখন স্টার্ট মেনুতে Internet Explorer এ ক্লিক করেন সে এখান থেকেই প্রোগ্রামটি রান করে। আপনি স্টার্ট মেনুতে ক্লিক করে রান এ ক্লিক করুন এবং লিখুন %programfiles%\Internet Explorer এবার এন্টার কি চাপুন। আপনি সরাসরি Internet Explorer যেখানে সেট আপ করা আছে সে ফোল্ডার এ চলে যাবেন।
এখন সমস্যা হল- আপনি যখন কোন প্রোগ্রাম কিছুদিন ব্যবহার করে আনইন্সটল করেন তার বিভিন্ন সেটিংস, প্রোফাইল ইত্যাদি রেজিস্ট্রিতে থেকে যায়। সেগুলি ধীরে ধীরে রেজিস্ট্রিতে জমা হতে থাকে। এর ফলে বিভিন্ন প্রোগ্রাম এর পারফরম্যান্স কমতে থাকে। কারন রেজিস্ট্রিতে তার ইনফরমেশন সার্চ করার জন্য তখন সময় বেশী লাগে যেহেতু আগে থেকেই অনেক অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমা হয়ে আছে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন গলদ কোথায়।
২. টেম্পোরারি ফাইলঃ নাম শুনলেই বুঝতে পারছেন - যে সমস্ত ফাইল সাময়িক কাজে ব্যবহৃত হয় অর্থাৎ প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে তৈরী হয় এবং প্রোগ্রাম এর কাজ শেষ হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায়। উদাহরনস্বরূপ বলা যায়- আপনি যদি এম এস ওয়ার্ড এ কোন ডকুমেন্ট নিয়ে কাজ করেন তাহলে আপনি যে তথ্যগুলি সেভ করেননি সবেমাত্র টাইপ করেছেন সেগুলি এইসব টেম্পরারি ফাইলগুলি দেখভাল করে। তারপর আপনি যে সব পরিবর্তন করবেন সেগুলি আনডু-রিডু করার কাজটিও কিন্তু এই ফাইলগুলিই করে থাকে। কিন্তু যদি আপনার পিসি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় প্রোগ্রাম ক্লোজ করার আগেই তাহলে টেম্পোরারি ফাইলগুলির কি হবে? হ্যা - আপনার চিন্তার রেশ ধরেই বলছি এগুলি জমা হতে থাকবে। আপনি নিজে না মুছে দিলে এগুলি জমা হয়ে আপনার সাধের পিসির বারোটা বাজাতে থাকবে নিশ্চিত। তাহলে উপায়? হ্যা উপায় অবশ্যই আছে- সেগুলি নিয়ে পরে আলোচনা করছি - আগে সমস্যা পরে সমাধান।
৩. উইন্ডোজ এর ব্যাকগ্রাউন্ড প্রোসেসঃ আমরা যেসমস্ত প্রোগ্রামগুলি নিজের কমান্ড দিয়ে চালু করি সেগুলি আমরা দেখতে পাই এবং বন্ধ করে দিলে মেমোরি স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর জায়গা ফাকা করে। কিন্তু কিছু বিশেষ ধরনের প্রোগ্রাম আছে যেগুলি উইন্ডোজ বা অন্যান্য সুনির্দিষ্ট কিছু প্র্রোগ্রাম নিজেদের কাজে লাগানোর জন্য আমাদের অগোচরে উইন্ডোজ চালু হওয়ার সাথে সাথে চালু হয় এবং বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে বন্ধ হয়। যেমনঃ Alt+ Ctrl + Del চেপে উইন্ডোজ টাস্ক ম্যানেজার চালু করলে এর প্রোসেস ট্যাবে যে প্রসেসগুলি দেখা যায় তা এই মূহুর্তে ব্যাকগ্রাউন্ডে রান করছে এমন প্রোগ্রামগুলিকে শো করে এবং মেমোরী কতটুকু ব্যবহার করছে সেটিও দেখায়।

এছাড়া স্টার্ট মেনু থেকে রান এ ক্লিক করে লিখুন- services.msc এবং এন্টার কি চাপুন। services ডায়ালগ বক্স চালু হবে। এখানে যে সমস্ত সার্ভিস ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ করছে তার লিস্ট দেখা যায়। নাম, বর্ননা, স্ট্যাটাস, চালু হওয়ার ধরন ইত্যাদি দেখতে পাবেন। এখান থেকে ইচ্ছা করলে আপনার যে সমস্ত প্রোগ্রাম খুব কম কাজে লাগে সেগুলির চালু হওয়ার ধরন, স্ট্যাটাস পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনি কম্পিউটারের মেমোরী অনেকখানি খালি করতে পারেন।

৪. ভাইরাস সমস্যাঃ এ শিরোনাম দেখে মনে আপনার মনে হতে পারে টিপস এর মধ্যে আবার ভাইরাস কেন? হ্যা আপনার জন্যই বলছি আজকাল কিছু টুলস পাওয়া যায় ইন্টারনেটে যেগুলি ব্যবহার করে আপনি ভাইরাস কে দূর করতে পারবেন তবে একটু দক্ষ হতে হবে এই যা। সেজন্য ভাইরাসকে ও এই লিস্টে রেখেছি। আর হ্যা ভাইরাসের সমস্যায় পড়েননি এমন উইন্ডোজ ব্যবহারকারী দুনিয়াতে আছে কিনা সন্দেহ সুতরাং উইন্ডোজ পিসি এর অন্যতম সমস্যার কারন এই ভাইরাস নিঃসন্দেহে। এছাড়া বিভিন্ন ওয়ার্ম, ট্রোজান হর্স প্রোগ্রাম, হ্যাকিং টুল ইত্যাদি তো রয়েছেই।
৫. অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামঃ আমাদের দেশে সফটওয়্যার বলতে আমরা বুঝি ৪০ টাকার সিডি। এজন্যেই এই পয়েন্টটি লিখতে হচ্ছে। ৪০ টাকার এক সিডিতে রাজ্যের সব প্রোগ্রাম পাওয়ার পর নিউ-বিদের কাজ হচ্ছে একটার পর একটা ইন্সটল আর ট্রাই। কখনযে কম্পিউটারের বারোটা বেজে যায় খেয়ালই থাকেনা। তাই অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও আপনার কম্পিউটার এর অন্যতম বোঝা। এছাড়া রেজিস্ট্রি এর অপ্রয়োজনীয় বোঝা বৃদ্ধি এর সমস্যা তো আছেই।
৬. উইন্ডোজের বিভিন্ন সেটিংসঃ উইন্ডোজ এক্সপি বিভিন্ন ধরনের সিস্টেম সেটিংস ব্যবহার করে। এইসব সেটিংস এর বেশকিছু তেমন প্রয়োজনীয় নয় তাই আপনি ইচ্ছা করলে এগুলিকে ডিজ্যাবল করে রাখতে পারেন। এর ফলে আপনার কম্পিউটার এর গতি অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে। উদাহরন স্বরূপঃ উইন্ডোজের বিভিন্ন ভিজ্যুয়াল এফেক্ট, সিস্টেম রিস্টোর অপশন, অটোমেটিক আপডেট ফিচার ইত্যাদি। এছাড়া উইন্ডোজ RAM এর সহায়ক হিসেবে একটি বিশেষ মেমোরি ব্যবহার করে যেটিকে ভার্চ্যুয়াল মেমোরি বলে। আপনার হার্ডডিস্কে যদি পর্যাপ্ত জায়গা থাকে তাহলে এটিকে বাড়িয়ে নিয়ে আপনি আপনার পিসি এর পারফরম্যান্স অনেকখানি বৃদ্ধি করতে পারেন।
লিখেছেন: জুয়েল
website:http:cae.com.bd
মঙ্গলবার, 26 আগস্ট 2008
"আচ্ছা আপনাকে যদি ৫০টা একই কনফিগারেশনের কম্পিউটার ওএস এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারসহ ইনস্টল করতে দেওয়া হয় কতক্ষন লাগবে?? মনেমনে হিসাব কষে আপনার উত্তর হচ্ছে, “দুই দিনতো লাগবেই“। আমি যদি বলি ৪থেকে৫ ঘন্টায় এটা করা সম্ভব। কিভাবে????? একটা কম্পিউটারে স্ট্যান্ডার্ড সবকিছু দিয়ে ইনস্টল করে ওই হার্ডডিস্ক থেকে অন্য সবগুলো হার্ডডিস্ক ক্লোন করে। অথবা, আপনার বর্তমান হার্ডডিস্কটি ৪০ গিগাবাইটের। এটি পালটানোর জন্য আপনি ৮০ গিগাবাইটের একটি নতুন হার্ডডিস্ক কিনলেন। আপনি চাইছেন আপনার কম্পিউটারে বর্তমান সেটিংস যা আছে হুবুহু তাই থাকবে শুধু ড্রাইভগুলোর সাইজ বড় হবে। তা ও করা সম্ভব।"
যাইহোক, সেখানে আমি Powerquest Drive Copy দিয়ে কিভাবে হার্ডডিস্ক ক্লোন করা যায় তা বলেছিলাম। Powerquest Drive Copy সফটওয়্যারটি বানানো হয়েছে ফ্লপিতে ব্যবহারের উপযোগী করে। কিন্তু ইদানিং ফ্লপির ব্যবহার আস্তে আস্তে উঠে যাচ্ছে। তাই সফওয়্যারটিকে একটু খেটেখুটে আমি ইউএসবি পেন ড্রাইভের উপযোগী করে ফেলেছি। চলুন দেখা যাক কিভাবে Powerquest Drive Copy এর বুটেবল ইউএসবি পেন ড্রাইভ তৈরী করা যায়।
এই লিংক থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন। USB_Drive_Copy.exe নামের ফাইলটি ডাউনলোড হবার পর রান করুন। পাসওয়ার্ড চাইলে cae.com.bd দিন। ফাইলটি আনজিপ হয়ে 1_USB_Format, 2_DOS_System_Files এবং 3_Drive_Copy_4.0 নামে তিনটা ফোল্ডার তৈরী হবে। একটা ইউএসবি পেন ড্রাইভ কম্পিইটারে লাগান। পেন ড্রাইভে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল তা ব্যাকআপ নিয়ে নিন। কারণ এটি ফরম্যাট করতে হবে। 1_USB_Format ফোল্ডারে ঢুকে HP USB Format for Windows প্রোগ্রামটি চালু করুন। Creat a DOS startup disk এ টিক মার্ক দিন। using DOS system files located at: এর ব্রাউজ(...) বাটনে ক্লিক করুন। ব্রাউজ করে আনজিপ করা 2_DOS_System_Files ফোল্ডারটি সিলেক্ট করুন। OK দিন। Start বাটনে ক্লিক করুন। Yes দিন। OK দিন। Close দিন। আপনার পেন ড্রাইভটি বুটেবল হয়ে গেল। এবার 3_Drive_Copy_4.0 ফোল্ডার থেকে সব ফাইল পেন ড্রাইভে কপি করুন। নিশ্চিতভাবে সব ফাইল কপি হবার জন্য Ctrl+a দিয়ে সিলেক্ট করে কপি করা উত্তম। কারণ কিছু ফাইল হিডেন অবস্থায় থাকে। তৈরী হয়ে গেল আপনার Powerquest Drive Copy এর বুটেবল ইউএসবি পেন ড্রাইভ।
একটি পিসি স্ট্যান্ডার্ড সবকিছু দিয়ে রেডি করুন এবার অন্য একটি হার্ডডিস্ক Slave এ লাগান। পেন ড্রাইভ দিয়ে পিসি বুট করুন। Powerquest Drive Copy লোড হবে। তিনটা অপশন দেখতে পাবেন। Verify Disk Configuration Entire Disk to Disk Copy Selective Partition Copy
২য় অপশনটি সিলেক্ট করুন। সোর্স ড্রাইভ হিসেবে মাষ্টার হার্ডডিস্কটি এবং ডেস্টিনেসন ড্রাইভ হিসেবে Slave হার্ডডিস্কটি সিলেক্ট করুন। নেক্সট বাটন প্রেস করুন। দুটো অপশন পাবেন। Replace Backup Replace সিলেক্ট করুন। আবার দুটো অপশন পাবেন। Fast Mode Safe Mode Fast Mode সিলেক্ট করুন। Advanced Option এ ক্লিক করুন। Check for file system error Hide source partition after copy দুটো বক্স থেকে টিক মার্ক তুলে দিন। ওকে প্রেস করুন। ফিনিস দিন। আপনাকে একটা ওয়ার্নিং মেসেজ দেখাবে ইয়েস দিন। অপেক্ষা করুন। ৩-৪ মিনিটের মধ্যে সম্পূর্ন হার্ডডিস্ক ক্লোন হয়ে যাবে। ব্যাস, হার্ডডিস্কটি খুলে নিয়ে কম্পিউটারে লাগিয়ে দিলেই হবে। এভাবে যত খুশি হার্ডডিস্ক ক্লোন করতে পারবেন।